Home » অপরাধ » বাবুগঞ্জে মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু

বাবুগঞ্জে মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু

বাংলার কন্ঠস্বর // ৪০দিনের কর্মসূচির টাকা আত্মসাতে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের ৪,৫,৬ সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য মোসাঃ কুলসুম বেগমের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করছেন দুদক ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। ইউপি মেন্বর কুলসুম বেগম শ্রমিকদের টাকা না দিয়ে আত্মসাত করায় ৪নং ওয়ার্ডের মহিলা লীগের নেত্রী মোসাঃ নিলুফা ইয়াসমিন বেগম ২০১৯ সালের ৪ নভেন্বর এসব অনিয়ম ও লুটপাটের কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসকসহ দুর্নীতি দমন কমিশনের(দুদক) মহপরিচালক বরাবর অভিযোগ করেন।

দেহেরগতি ইউনিয়নের বাসিন্দা মহিলা লীগ নেত্রী মোসাঃ নিলুফা ইয়াসমিনের অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিন তদন্তে আসেন দুদকের এক কর্মকতা ও উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আরিফুর রহমান। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুদক ও প্রকল্প কর্মকর্তা আরিফুর রহমান।

অভিযোগে জানা যায়,৪০ দিনের কর্মসূচির প্রকল্পে ৫নং ওয়ার্ডে রাকুদিয়া ব্রীজ থেকে কালিবাড়ি পর্যন্ত প্রকল্পে ৪০জন শ্রমিকের অনুকুলে ৩লাখ ২০হাজার টাকা বরাদ্ধ করা হয়। এ প্রকল্পে ৪নং ওর্য়াড থেকে ১০জন শ্রমিক নিয়োগ করে ব্যাংক একাউন্ডে স্বাক্ষর নিয়ে তাদেরকে ৮হাজার টাকার স্থলে ২হাজার টাকা প্রদান করেন ইউপি সদস্যা কুলসুম বেগম। মহিলালীগ নেত্রীর অভিযোগে ১০জন শ্রমিকরা স্বাক্ষর দিয়েছেন তারা হলেন মোঃ শাহিনুর বেগম,আঃ ওহাব,মমতাজ বেগম, মিনারা বেগমসহ ১০জন শ্রমিক।

রোববার দুদকে তদন্তের সময় দেহেরগতি ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান, প্রকল্প কর্মকতা আরিফুর রহমানসহ অভিযোগকারী উপস্থিত ছিলেন। তদন্তের সময় ৪নং ওয়ার্ডের ১০ জন শ্রমিক ইউনিয়ন পরিষদে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে স্বাক্ষী দেয়ার জন্য উপস্থিত হলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যার লোকজন ওই ১০জন শ্রমিককে ভয়ভিতী দেখিয়ে তাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগকারী মহিলালীগ নেতৃত্রী নিলুফার অভিযোগ।

এ বিষয় জানতে চাইলে ইউপি সদস্যা কুলসুম বেগম বলেন, অভিযোগগুলো সম্পূর্ন মিথ্যা। আমার লোকজনে কাউকে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়নি বরং শ্রমিকরা মহিলালীগ নেতৃত্রীর কথায় আসেনি।

পাঠকের মতামত...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*