Home » বরিশাল » মেয়র সাদিকের সমালোচনায় সরব নষ্টরা

মেয়র সাদিকের সমালোচনায় সরব নষ্টরা

আসাদুজ্জামান ॥ নষ্ট চাঁদের জোৎসনার আলোতে আগের মত যারা এবারো হিরা মুক্তা কুড়িয়ে নেয়ার অশুভ উদ্দেশ্যে আশায় বুক বেধে ছিলেন, তারা এখন হতাশার সাগরে নাকানি চুবানি খাচ্ছেন।

কোনো অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন বা অবৈধ সুবিধা নেয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে বরিশালে নষ্ট রাজনীতির অপসংস্কৃতিতে সরব হয়ে উঠেছে একটি মহল। সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরে, চিহিৃত ভুমিদস্যু, গরীবের হক লুন্ঠনকারী, দুর্নীতিবাজ, দালাল, সরকারী বেসরকারী অর্থ ও সম্পত্তি লুন্ঠনকারীরা মহা বেকায়দায় পরেছে।

অনিয়ম দুর্নীতি, অন্যায় অপরাধ, ও সকল ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সিটি মেয়রের জিরো টলারেন্সনীতি ঐ সকল নষ্টদের ব্যাপকভাবে হতাশ করেছে। নির্বাচনে বিজয়রের পরেই কঠোর অবস্থান নেয়ায় সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে ঐ মহলের সদস্যরা নানান ভাবে কট্টোর সমালোচনায় নিজেদেরকে উৎসর্গিত করেন।

শুধু তাই নয়, নির্বাচিত কাউন্সিলর ও দলীয় নেতৃবৃন্দের অশ্রাব্য সমালোচনা করতেও দেখা গেছে। মেয়রকে সমালোচিত করতে নানান ধরনের কুট কৌশল এটে ব্যর্থ হয়ে এখন নতুন জামায়াতি ছকে এগুচ্ছেন ষড়যন্ত্রকারীরা।

নুতন ছক হিসেবে জামায়াত বিএনপি সমর্থিত সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত গুটি কয়েক মিডিয়া কর্মীকে সুকৌশলে অশ্রাব্য লেখনিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অপপ্রচারের রূপকথার গল্প রূপায়িত করার মিশনে নষ্টদের মহাব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেছে।

নানান অপকর্মের অপরাধে নগর আওয়ামীলীগ থেকে বহিঃস্কৃত এক নেতা সম্প্রতি জামায়াত আয়োজিত বরিশাল- খুলনা বিভাগীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান করে বিশেষ বৈঠকে মিলিত হন।

এর পর থেকেই ঐ ঘরানার সংবাদকর্মীরা বিএনপি সমর্থিত সংবাদকর্মীদের সাথে একাট্টা হয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও তার ঘনিষ্ঠদের নিয়ে নানান অপপ্রচারে ব্যস্ত হয়ে পরেছে ।

এদের সাথে যুক্ত হয়েছে অবৈধ সুবিধা বঞ্চিত নগরীর একটি অসাধু কুচক্রীমহল। যা সাধারন মানুষকে হতবাক করেছে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার দুর্নীতি, মাদক, অনিয়ম বিরোধী নির্দেশনা বরিশালে দৃঢ় চিত্তে বাস্তবায়ন করে সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সকল ভালো কাজ ও উন্নয়ন দেখে ঐ সকল নষ্টরা সবকিছু ম্লান করতে নয়া মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে।

সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল নগরীর সন্তান হওয়ায় ছোট বড় সকলের সাথে তার দীর্ঘদিনের সু পরিচিতি ও পারিবারিক শখ্যতা রয়েছে। এদের মধ্যে যারা অবৈধ সুবিধাকামী রয়েছে তারা সাদিক আবদুল্লাহর কাছে ভিড়তে বা দেখা করে অবৈধ সুবিধা আদায় করতে না পেরে বেজায় ভার হয়েছেন।

যুগ যুগ ধরে বিসিসি কে ট্যাক্স না দিয়ে, ট্রেড লাইসেন্স না করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেছেন তাদেরকে যথা নিয়মে নোটিশ করায় মনক্ষুন্ন হয়েছেন নগরীর মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সাধারন নাগরিকরা উত্তম নাগরিক সেবা পেয়ে মহা খুশি হলেও ঐ সকল ঠকবাজরা মোটেও খুশি হননি।

ভালো কাজে ঈর্ষান্বিত হয়ে গুটি কয়েক নষ্টরা অপপ্রচার চালালেও নগরবাসী সিটি মেয়রকে সাধুবাদ জানিয়েছে। সম্প্রতি সপ্তাহে ২ দিন গণশুনানীর মাধ্যমে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে কার্যক্রম শুরু করলে সারা দেশে তা প্রশংসিত হয়। এই কাজ দেখে বেজায় ক্ষুব্দ হন নষ্ট চক্র।

শুরু করেন নুতন ষড়যন্ত্র। কেবল মেয়র হিসাবেই নয়, নগর আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে গত ৪০ বছরের শ্রেষ্ঠ আওয়ামী সংগঠক হিসেবে যোগ্যতা প্রমানের পরে আপামর মানুষের প্রানের মানুষ হিসেবে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বরিশাল নগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত করেন। ফলে অনিয়ম ও দুর্বৃত্তায়ন কারীরা কোনো দিক থেকেই সুবিধা করতে পারছেনা। তাই তারা নয়া মিশনে নেমেছে।

তবে নগরবাসী বলছে ইতোপূর্বে নগরীর সবকিছু চলে গিয়েছিলো নষ্টদের দখলে। সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত এবং নগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পরে বরিশালের মানুষকে রাহুমুক্ত করেছে। ফলে এখন অপপ্রচার ও সমালোচনায় ব্যস্ত নগরীর নষ্টরা।

পাঠকের মতামত...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*