Home » সিলেট » লালমনিরহাট » লালমনিরহাটের পর্যটন কেন্দ্র 
Exif_JPEG_420

লালমনিরহাটের পর্যটন কেন্দ্র 

পরিমল চন্দ্র বসুনিয়া,লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়নের একটি শালবন ।বনটি অনেক পুরানা হলেও এটি, হয়ে উঠেছে  লালমনিরহাট জেলার একটি দর্শনীয় স্থান ।
প্রায় প্রতিদিন বাগানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য  দেখতে ছুটে আসে দেশের নানা প্রান্তের মানুষ। ঘুরতে আসা মানুষরা যেমন পায় প্রকৃতির মমতাময় অনুভব, আবার ঘুরতে গিয়ে পড়তে হয় নানা ধারনের অসুবিধার মুখে ।
শালবনটি লালমনিরহাট জেলা থেকে অনেক দূরে হলেও, রাস্তার পাশে হাওয়া খুজে বের করতে পারে সহজেই ।এর প্রবেশ পথেই রয়েছে একটি নান্দনিক বিশাল আকারের গেট এবং সেখান থেকেই  বাগানটির প্রতিটি প্রান্তেই গিয়েছে পাকা রাস্তা ।বাগনের  জমির পরিমাণ ৮২ একর, তাই বাগানটি বিশাল এলাকা জুরে রয়েছে মনমাতানো সব জায়গায়।
প্রাকৃতিক ভাবে বেড়ে ওঠা শালবনটির সৌন্দর্যের টানে নানা বয়সের মানুষ,তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসে। শহরের কর্মে ব্যাস্ত থাকা মানুষ গুলোও গ্রামীন পরিবেশের প্রকৃতিক ছোঁয়া পেতে ছুটে যায় বাগানটিতে। তাই এখানে রয়েছে ভ্রমণবিলাসী পর্যটকদের বিশ্রামাগার সহ নানা ধারনের আড্ডা দেয়ার জায়গায়।
শালবনটির চারদিকে প্রাচীর থাকায়,এটি হয়ে ওঠেছে প্রানীদের অভয়ারণ্যে।তাই দেখতে পাওয়া যায় নানা ধারনে প্রাণী যেমন-শেয়াল,বনবিড়াল, বেজি ও সাপ। এবং শীত মৌসুমে বনে নানা প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে। বনটিতে গাছের মধ্যে -শাল ও বেত অন্যতম।
তবে ঘুরতে আসা পর্যটকদের রয়েছে নানা অভিযোগ তারা বলেন, পানি পানের একটি নলকূপ নেই বাগানে। বাগানটির পাশে নেই প্রয়োজনিয় থাকা-খাওয়ার জন্য কোনো হোটেল।এরপরেও প্রতিদিন দেখতে পাওয়া যায় নানা পর্যটক দের। তবে ছুটির দিন আর উৎসবে পর্যটকদের সমাগমে বনটি হয়ে ওঠে একটি দার্শনীয় পর্যটন কেন্দ্র। বর্তমানে এটি ইকো-পার্ক নামে পরিচিত হয়ে ওঠেছে।
বনটির আশা-পাশের স্হানীয় বাসিন্দারা জানান,বনটিকে সরকার যেন পর্যটন কেন্দ্র তৈরি করে এবং এলাকার তরুণ ও যুবকদের বেকারত্ব ঘোচাতে পারে।

পাঠকের মতামত...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*