Home » বরিশাল » প্রতিমন্ত্রী শামিমের বরিশালে নিজ ঘরেই ভাঙন?

প্রতিমন্ত্রী শামিমের বরিশালে নিজ ঘরেই ভাঙন?

শাকিব বিপ্লব,বরিশাল  :: বরিশালে ক্ষমতাসীন দলীয় রাজনীতিতে আভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম ক্ষমতার ভারসাম্য কেনো ধরে রাখতে পারছেন না, তার নেপথ্যের বহুমুখী কারন নিয়ে এখন কথা উঠতে শুরু করেছে। ঘরোয়া প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ণ রাজণীতিতে শক্তি সঞ্চয়ের পথে নিজ ঘরের অনুসারীদের মধ্যে রেষারেষি, একজন অপর জনকে প্রতিপক্ষ মনে করে ঘায়েল করতে মন্ত্রীর আস্থা অর্জনের লড়াইয়ে আপনাআপনি সৃষ্টি হয়েছে দুটি গ্রুপ। আবার পুরোনোদের অবমূল্যায়ন, নতুনদের সমাদর করা নিয়েও দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারন করায় অনেকেই মন্ত্রীর সান্নিধ্যে থেকে ছিটকে পড়েছে। এই অংশটির অনেকেই এখন নিস্ক্রিয়, আবার কেউ ক্ষোভে তুষের আগুনে জ্বলছে। এ অবস্থায় প্রতিমন্ত্রীর শিবিরে ভাঙন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জাহিদ ফারুক শামীমের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত সুশিল ব্যক্তিবর্গ এমন তথ্য দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলছে এই নেতার স্থানীয় শক্তি ক্রমন্নয়ে সঙ্কচিত হয়ে আসছে।

স্থানীয় রাজনীতির হিসেব নিকেশে অনেকের অভিমত, জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল সদর আসনে সাংসদ হিসেবে বিজয়ী অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল জাহিদ ফারুক শামীমের মন্ত্রীত্ব লাভ যেমন ছিলো অপ্রত্যাশিত, তেমন চমকও বটে। সেক্ষেত্রে স্থানীয় দলীয় বিভাজনের রাজনীতিতে কোণঠাসা এই নেতা ঘুরে দাড়াবার সম্ভাবনা দেখা দেয় ক্ষমতার নতুন মঞ্চে উঠায়। অনেকে ভেবেছিলো, মন্ত্রীত্ব লাভে জাহিদ ফারুক শামীম হয়তো এবার রাজনীতিতে ঘুরে দাড়াবেন । এমন ভাবনা-চিন্তাকে সামনে রেখে অনেকেই এই নেতার রাজনীতির সাথে যুক্ত হতে চেয়েছিলো। শুরুও হয়েছিলো তার বাড়িতে নিত্য নতুন মুখের আনাগোনা।

অভিমত রয়েছে যে, বর্তমান সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ বিরোধীমনস্ক অথবা দলের মধ্যে অবমূল্যায়নে নতুন রাজনৈতিক প্লাটফর্ম তৈরীতে এরা জাহিদ ফারুক শামীমকে যুতসই মনে করেছিলেন। বিশেষ করে সাদিক আব্দুল্লাহর পাশ থেকে সরে আসা এবং প্রয়াত আ.লীগ নেতা শওকত হোসেন হিরনের রেখে যাওয়া বিশাল অনুসারীদের একটি অংশ এই পথ ধরতে অগ্রসর হয়। কিন্তু রাজনীতির মারপ্যাঁচে মন্ত্রী এদের আগলে রাখতে অথবা কাছে টেনে মাঠের রাজনীতিতে ব্যবহারে ব্যার্থ হয়েছেন নিজের দূরদর্শিতা, অক্ষমতায় ও অদক্ষতা এই তিনে মিলে।

নানা সূত্রের অভিমত, প্রত্যাশা অনুযায়ী এই নেতা সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। মূলত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন এবং কাকে দিয়ে কোন পথ মিশ্রন করে এগুনো যায়, সেই বিবেচনায়ও তিনি নেতা হিসেবে নিজেকে পরিণত উপস্থাপনে সক্ষম হননি। আবার কারও ভাষ্য, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা নিরেট ভদ্র ও রাজনীতির হিসেবনিকেশ বুঝে উঠতে না পারায় প্রভাব বিস্তারের সীমানা দীর্ঘতা সৃষ্টিতে অন্তরায় হয়ে দাড়ায়। এই ব্যার্থতার কারনে তার অনুগত্য-অনুসারীদের আগলে রেখে শক্তপোক্ত ভূমিকায় যেতে না পারায় মাঠের রাজনীতিতে শক্তি ভারসাম্য তৈরী করতে ব্যার্থ হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তদূপরি অনূকুলের সমর্থিতরা দলীয় রাজনীতির চরম বৈরীতার মুখেও টিকে থাকার একধরনের লড়াইয়ে যেনো “কূলহীন নদীর মাঝে ভেলা আকড়ে ধরে রাখার ন্যায়” এই নেতার চারপাশে অবস্থান নিয়ে থাকতে বাধ্য হয়। পাশাপাশি এমন কথাও চালু রয়েছে, জাহিদ ফারুক শামীমের দুর্দিনে পাশে থাকা ব্যাক্তিরা বর্তমান সুদিনে মূল্যায়নের চেয়ার পাচ্ছেনা নতুনত্বের ভীড়ে।

নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র এসব তথ্যের সাথে একমত পোষণ করে বলছে, মন্ত্রীত্ব পাওয়ার পরই রাজনীতিতে নেতৃত্ব প্রসারের শুরুতেই নিজ ঘরের খুঁটি ঘুণে ধরে তার চারপাশে পক্ষ-বিপক্ষ দুটি বলয় তৈরী হওয়ায়। সূত্রের তথ্যমতে, মন্ত্রীর আস্থা অর্জনে একদিকে ব্যাকুলতা, অন্যদিকে তার কান ভারী করায় নিজ ঘরেই সুষ্টি হয় দুটি উপদল। সেখান থেকেই দুটি স্রোতধারায় নেতৃত্ব নিয়ে দেখা দেয় অনুসারীদের মধ্যে চরম বিভাজন। যা এখন প্রকট রূপ নিয়েছে, ঘরের খবর বাইরে চলে আসছে ক্ষোভের যন্ত্র্ণায়।

সূত্রের দাবী, তার ব্যাক্তিগত পিএস মোস্তাফিজুর রহমান রানা ও সরকারী নিয়োগপ্রাপ্ত এপিএস শফিকুল ইসলাম পিন্টু এই দুইজন শুরু থেকে একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে দাড়ান। দুজনের নেতৃত্বে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে মন্ত্রীর অনুসারীরা। সেখান থেকেই শুরু হয় একপক্ষ অপর পক্ষকে দমন অভিযান। মন্ত্রী বিষয়টি আঁচ করতে পারলেও ততক্ষণে ভূলভাল বোঝানোর প্রতিযোগিতায় চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেননি বা পারছেন না। ফলে একটি গ্রুপ মন্ত্রীকে কব্জায় নিতে সক্ষম হওয়ায় নতুন রাজনীতির প্রত্যাশায় তার দুয়ারে উপস্থিত অনেক ত্যাগী নেতা এবং তাদের কিছু অনুগতরা ছিটকে পড়ে। এদের অনেকেই এখন জহিদ ফারুক শামীমের বরিশালে উপস্থিতিতে সাড়া দিচ্ছে না অথবা দলীয় প্রতিপক্ষের রোষানলে পড়ার ভয়ে আসা যাওয়ার মধ্যে দিয়েই নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখছে “যায় যায় পরান” এরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ায়।

নির্ভরযোগ্য আরেকটি সূত্র বলছে, মন্ত্রীত্ব পাওয়ার পর তার রাজনীতি ভিন্ন একটি ধারা সৃষ্টির সমূহ সম্ভাবনা জেগেছিল। ওয়ার্ড ভিক্তিক অনেক রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব এবং যুব এবং ছাত্রনেতারা যেভাবে তার অনূকুলে আসতে শুরু করেছিল তাতে এই নেতা প্রতিটি স্তর সাজাতে পারতেন, যেতে পারতেন ঘরোয়া প্রতিদ্বন্দী যেকোনও নেতার সাথে শক্তি-সামর্থ্য পরীক্ষায়। সেই সাথে জনগনের মাঝেও নিজেকে উপস্থাপনে অনায়াসে সক্ষম হতেন নানান অবদান রেখে। কিন্তু সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি, উপরন্তু অনেক ত্যাগী নেতাদের বিমুখ করেছেন সন্দেহের চোখে দেখা অথবা কাউকে বেশী প্রাধান্য দিতে গিয়ে। সেখান থেকেই খসে পড়তে শুরু করে মন্ত্রীর স্থানীয় রাজনৈতিক মঞ্চের শক্তির উৎসমূল ত্যাগী নেতাদের দূরে সরে যাওয়ায়।

অনেকের মন্ত্রীর রাজনীতির বাইরে যাওয়ার ইচ্ছা না থাকলেও শেষান্তে যেতে হয়েছে ঘরের এই বিভাজনে। এক্ষেত্রে দায়ী করা হচ্ছে তার এপিএস শফিকুল ইসলাম পিন্টুকে। অভিযোগ রয়েছে , সরকারি হাতেম আলী কলেজের প্রভাষক পিন্টু ডেপুটেশনে এপিএস পদ পাওয়ার পরই আরেকজন ব্যক্তিগত সহকারি মোস্তাফিজুর রহমান রানাকে মানতে পারছিলেন না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যুববয়সী এই রানা বরিশাল যুবলীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা হলেও জাহিদ ফারুক শামীমের দুর্দিনে ব্যাক্তিগত সহকারীর ভূমিকায় সবকিছু দেখভাল করতেন। অতীব সরলতায় এই যুবক গত সংসদ নির্বাচন থেকে শুরু করে মন্ত্রীত্ব লাভের পরবর্তী দীর্ঘ সময় জাহিদ ফারুক শামীমের গোপনীয় সবকিছুই যেমন নিয়ন্ত্রন করতেন, তেমন দলীয় নেতা-কর্মীদের ভালমন্দের বিষয়টি মন্ত্রীকে অবহিত করে অগ্রসর পথ তৈরীর পথ বালতে দিতে থাকেন।

একটি কথা প্রচলন রয়েছে যে, এই যুবকের কারনে অনেকেই জাহিদফারুক শামীমের রাজনীতির সাথে যুক্ত হতে উৎসাহিত হন। অন্যদিকে মিডিয়ায় মন্ত্রীকে ফোকাসে আনতে সংবাদ কর্মীদের সাথে কৌশলী একটি সখ্যতা গড়ে তুলেছিলেন। ফলে সঙ্গত কারনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সবচেয়ে কাছের এবং বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিতি পেয়ে যায় রানা। সেটাই কাল হয়ে দাড়ায় বলে শোনা গেছে। এপিএস শফিকুল ইসলাম পিন্টুও পাল্টা কৌশল রেখে নিজের অবস্থান শক্ত পোক্ত করে যুবক রানার বলয়কে ভাঙতে দলভারী করতে থাকেন। পাশাপাশি রানার কিছু ভুলত্রুটি মন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করে ছক্কা হাঁকান। অর্থাৎ রানা মন্ত্রীর কাছ থেকে দূরত্বে চলে যেতে বাধ্য হন। প্রায় ৬ মাস গত হয়েছে এই যুবক আর মন্ত্রীর সান্নিধ্যে যাচ্ছেন না। মন্ত্রীর দুয়ারে তার অনুপস্থিতির ব্যাখ্যায় মান-অভিমানের বিষয় তুলে ধরলেও মুখ খুলতে চাচ্ছেন না কী কারনে বা কার জন্য তিনি ছিটকে পড়লেন?

জানা গেছে- এরপরই শুরু হয় রানা গ্রুপের পতনের পালা। একে একে চরমোনাই এলাকার গিয়াস , ৪ নং ওয়ার্ডের সাকিব, ৫নং ওয়ার্ডের সাইদী, ৭ নং ওয়ার্ডের গিয়াস উদ্দিন. ২০ নং ওয়ার্ডের মনির, ২৩নং ওয়ার্ডের রিপন ও ব্রাউন কম্পাউন্ড এলাকার জুয়েলের ন্যায় ত্যাগী নেতারা এখন মন্ত্রীর রাজনীতিতে নিস্ক্রিয়। যদিও এদের মধ্যে কেউ কেউ মাঝেমধ্যে জাহিদ ফারুক শামীমের সাথে দেখা করতে আসেন, কিন্তু কোনো ভূমিকায় বা কর্মসূচিতে উপস্থিতি চোখে পড়েনা। বিশেষ করে বিএম কলেজ ছাত্রনেতা নূরে আলম সাইদী ও হাতেম আলী কলেজ ছাত্রনেতা সাইদুর রহমান মাহাদ মন্ত্রীর অনূকূলে ছাত্র-রাজনীতি নতুন বাতিঘর সৃষ্টির সম্ভাবনা জাগিয়েছিলো। এদের দুজনের রয়েছে ত্যাগের দীর্ঘ ইতিহাস। অথচ এখন সেই সাইদী নিশ্চুপ। মাহাদী কোনোভাবে টিকে আছেন মন্দের ভালো নিয়ে। শোনা যায়, ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মধু ওে বরিশাল প্রেসক্লাবে সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেনও মন্ত্রীর কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলতে শুরু করেছে।

মন্ত্রীর ঘরের ভিতর থেকেই আওয়াজ পাওয়া গেছে , এখন এই নেতার সহোচার্য এবং বুদ্ধিদাতার যেনো অভাব নেই। কিন্তু সবাই নতুন মুখ। ব্যাতিক্রম শুধূ মাহমুদুল হক খান মামুন ও জিন্নাহ। প্রথমজন মহানগর আ.লীগের ত্যাগী নেতা, দ্বিতীয়জন জেলা ছাত্রলীগের পদধারী নেতা। এই দুজনের মধ্যে মাহমুদুল হক খান মামুন নিরেট ভদ্র এবং তিনিই মন্ত্রীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে ভূমিকায় থাকলেও কোনো ঝুটঝামেলায় নেই। আবার মন্ত্রীও মহানগরের এই নেতার প্রতি ষোলঅনা দূর্বলতা পোষণ করায় তিনিই এখন স্থানীয় রাজনীতির দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। কৌশলে পিএস শফিকুল ইসলাম পিন্টু এই নেতাকে সমর্থন দিয়ে নিজের বলয় ও অবস্থান শক্ত করেছে। নিশ্চিত হওয়া গেছে, মন্ত্রীর চারপাশে অধিকাংশ সময় থাকা অনুগত সমর্থকদের অধিকাংশই এপিএস পিন্টু সমর্থিত। একসময় মোস্তাফিজুর রহমান রানার সাথে ঐক্য বেধে মন্ত্রীর পিও হাদীস মীর যে বলয় তৈরী করেছিলো সেখানে প্রতিপক্ষ ছিলো এপিএস পিন্টু। বর্তমানে সেই রানা “রানআউট” হয়ে যাওয়ায় স্বার্থের তাগিদে হাদীস মীর একসময়ের প্রতিপক্ষ পিন্টুর সাথে ঐক্য বেধেছে, এমনটি দেখা যায়। উভয়ই এখন বেশ শক্ত অবস্থান তৈরীর পাশাপাশি অর্থবিত্তেও নাদুস-নুদুস হয়েছেন।

একাধিক সূত্রের অভিযোগ, মন্ত্রীর এই দুই সহকারীর মধ্যে বিশেষ করে হাদীস মীর আলাদীনের চেরাগের মতো রাতারাতি এখন বেশ অর্থ-বিত্তবৈভের মালিক। ইতিমধ্যে হাদীস মীরের অপকর্মের কাহিনী পত্রিকায় শিরোনাম হয়েছে। সেখানে উঠে এসেছে, এই এপিওর হাল-হকিকত কত বিস্ময়কর! পক্ষান্তরে ত্যাগীরা প্রত্যাশার সাথে প্রাপ্তির যোগফলে ছিটকে পড়ে খুঁজে পাচ্ছেনা অন্য কোনো যাত্রাপথে হাটবেন। কিন্তু মোস্তাফিজুর রহমান রানাসহ নূর আলম সাইদীর অনুসারীরা মন্ত্রীর কাছাকাছি থাকছেন কিন্তু হালে পানি পাচ্ছেন না। তবুও ডুবন্ত তরী টেনে তোলার ন্যায় জাহিদ ফারুক শামীমের সাথে থাকায় একচেটিয়া প্রাধান্য বিস্তারে পিন্টু-হাদীস গ্রুপের অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে।

সূত্র বলছে, ঘরের ভিতর এতকিছু ঘটছে কিন্তু মন্ত্রী কোনোকিছুই আমলে নিতে নারাজ। মন্ত্রী মনে করেন তিনি বরিশাল নয় , জাতীয় পর্যায়ের নেতা। এমন অভিমত তার মুখে শোনা গেলেও বাস্তবে স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ সাদিক আব্দুল্লাহর সাথে পেরে উঠছে না ঘরোয়া দ্বন্দ আর কৌশলগত ভুলের কারনে। এমন মন্তব্য স্থানীয় রাজনৈতিক বোদ্ধাদের। এনিয়ে তাদের ব্যাখ্যাও পাওয়া গেছে।

এর সারকথা হচ্ছে, বয়স ও রাজনীতিতে তরুণ মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর সাথে প্রভাব বিস্তারে সদর আসনের সাংসদ ও মন্ত্রীত্ব লাভে ক্ষমতার শক্ত মঞ্চ থাকা সত্বেও সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা নিজের রাজনীতি গুছিয়ে উঠতে পারছেন না। যেকারনে ক্ষমতা ও পদ-পদবীর রাজনীতিতে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন। আবার কারও কারও মন্তব্য তিনি স্বচ্ছ রাজনীতিতে বিশ্বাসী হলেও সাংগঠনিক দূরদর্শিতার অভাব তাকে যেভাবে পিছু টেনে ধরেছে তাতে আর এগুতে দিচ্ছে না, বা পারছেন না। এখন আরও সঙ্কট দেখা দিয়েছে নিজ ঘরে ভাঙনের শব্দে। এবিষয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভাবনা জানতে এই প্রতিবেদক চেষ্টায় বহুমুখী যোগাযোগ করে ব্যার্থ হওয়ায় পরিষ্কার ধারনা পাওয়া গেলোনা আসলে তিনি ঘরের খবর কতটুকু রাখেন।

পাঠকের মতামত...

Total Page Visits: 47 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*