Home » বরিশাল » ভোলায় শ্বশুর বাড়িতে ডেকে নিয়ে জামাই কে গণধোলাই।
Exif_JPEG_420

ভোলায় শ্বশুর বাড়িতে ডেকে নিয়ে জামাই কে গণধোলাই।

মো:মেহেদী হাসান (সুমন) // ভোলা সদর উপজেলা পশ্চিম ইলিশা ৪নং ওয়ার্ডের আজিজল বীর বাড়িতে এই ঘটনাটি ঘটে। তথ্যসূত্র জানা যায় একই এলাকার আব্দুল হক দেওয়ানের ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর ধর্ম মোতাবেক আজিজুলের মেয়ের সালেহার বিয়ে হয়।
 বিয়ের পর থেকে তাদের সুখে শান্তিতে দিন কাটছিল,হঠাৎ করে তাদের স্বামী স্ত্রীরির ভিতরে দ্বন্দ্ব হয়। শ্বশুরবাড়ির উস্কানিতে জাহাঙ্গীর তার স্ত্রীকে কিছুই বলতে পারে না , বিয়ের পর তাদের সংসার জীবনে একটি সন্তান হয়। ওই সন্তানকে দেখার জন্য এবং কি স্ত্রীকে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে আনার জন্য অনেকবার দেন-দরবার করলেও তারা মেয়েকে দিচ্ছিল না।
 মেয়ের বাবা আজিজুল, আজ ৪ সময় জাহাঙ্গীর তার বাড়িতে ছিল ওই সময় তার শ্বশুর আজিজুল তার বাড়িতে জামাই জাহাঙ্গীরকে ডেকে নিয়ে তার আত্মীয়স্বজন ও ভাড়াটিয়া লোকজনকে বাড়িতে এনে ঘরের দরজা তালাবদ্ধ করে সবাই মিলে গণধোলাই দেয় জামাইকে। জাহাঙ্গীরকে মারধর করলে তার, আত্মচিৎকার শুনে এলাকার লোক জাহাঙ্গীরের মাকে খবর দেয় ‌।
জাহাঙ্গীরের মা খবর শুনে ওই বাড়িতে এলে জাহাঙ্গীরের মাকেও আত্মীয়-স্বজনরা মিলে মারধর করে। এবং কি জাহাঙ্গীরকে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রাখলে এলাকার লোকজন মুমূর্ষ অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। মা ও ছেলে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে, এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জাহাঙ্গীরকে চিকিৎসার জন্য এবং তার খোঁজখবর নেওয়ার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে ছুটে যায়।
 পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন সাহেবের সাথে কথা বলে  তিনি জানান  দীর্ঘদিন ধরে জামাই, শশুরের ভিতরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল এর জের ধরে জাহাঙ্গীরকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন মারধর করেছে বলে শুনেছি। আমি তাদেরকে অবস্থা খারাপ দেখে চিকিৎসা করার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে  পাঠিয়ে দিয়েছি । ওই ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানায় আমি অনেকবার আজিজুলের মেয়ের  বিচার করে দিয়েছি , আজিজুল খুবই খারাপ ধরনের লোক ওর মেয়েকে বিয়ে দিয়ে জাহাঙ্গীর এবং জাহাঙ্গীরের আম্মা এবং তার আত্মীয় স্বজনদেরকে অনেক  বার লাঞ্ছিত অপদস্ত করেছে। জাহাঙ্গীরের মা এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানায় আমার ছেলেকে বিয়ের পরে অনেকবার তারা মারধর করেছে ।
 এবং আমি অনেকবার তাদের বিরুদ্ধে সালিশ বিচার করেছি, ওরা আমার ছেলেকে এবং তার ছেলের স্ত্রী সালেহাকে ওই বাড়িতে রাখে আর যদি আমার ছেলে আমার বাড়িতে চলে আসে তাহলে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোক দিয়ে হুমকি-ধমকি দেয়। এবং কি কয়েকদিন পর ওই বাড়িতে গেলে তারা তাদেরকে ডেকে এনে মারধর করে । আমার ছেলে বাসায় এসে বিষয়টি বলতো আজ আমি আমার ছেলেকে ওই বাড়িতে যাইতে দিতে চাইনি, সে বলল যে আমার শ্বশুর আজিজুল মিয়া আমাকে যাওয়ার জন্য বলেছে , আমি তার বাড়িতে একটু যাই আমার ছেলেকে দেখে আসি, যাওয়ার পরে কিছুক্ষণ সময় খবর আসলো আমার ছেলে জাহাঙ্গীরকে মারধর করে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখেছে।
 , তার শ্বশুরবাড়ির আত্মীয় স্বজনরা আমি শুনে গেলে তার বাড়ির সবাই আমাকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে দেয় এলাকার লোকজন আমাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 157 - Today Page Visits: 2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*