Home » বরিশাল » ইলিশ শিকার: বরিশালে ১৬ জেলের জেল-জরিমানা

ইলিশ শিকার: বরিশালে ১৬ জেলের জেল-জরিমানা

বাংলার কন্ঠস্বর // সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা বরিশালের নদ-নদীতে ইলিশ শিকারের অপরাধে ১৬ জেলেকে জেল-জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সাথে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল। বিভিন্ন স্থান থেকে আটকের পরে জেলেদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে তুলে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ তথ্য সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন সূত্র নিশ্চিত করে।

 

ইলিশ প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারের তরফে ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বরিশালের নদ-নদীতে কিছু জেলে নদীতে ইলিশ শিকার করতে থাকে।

সূত্রটি জানায়- মেহেন্দিগঞ্জের বিভিন্ন নদীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী হাকিম পিজুস চন্দ্র দে’র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে ১৬ জেলেকে আটক করা হয়। পরবর্তী সময়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে ১১ জেলেকে ১ মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। ৫ জেলেকে মোট ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ১৫ হাজার মিটার জাল উদ্ধার করে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এদিকে বরিশাল সদরের ইউএনও ও নির্বাহী হাকিম মো. মুনিবুর রহমানের নেতৃত্বে কীর্তনখোলা নদীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৪ হাজার মিটার জাল উদ্ধার করে পোড়ানো হয়। পাশাপাশি জব্দ করা ৩৫ কেজি ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানায় ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়।

এ ছাড়া বাবুগঞ্জের ইউএনও ও নির্বাহী হাকিম মো. আমীনুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৭০ হাজার মিটার জাল উদ্ধার করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়। উদ্ধার ৩৬ কেজি ডিমওয়ালা ইলিশ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

অনুরুপ হিজলার ইউএনও ও নির্বাহী হাকিম বকুল চন্দ্র কবিরাজের নেতৃত্বে চালানো অভিযানে ৭ হাজার মিটার জাল উদ্ধার করে পরবর্তীতে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এছাড়া বাকেরগঞ্জের ইউএনও ও নির্বাহী হাকিম মাধবী রায়ের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উদ্ধার ৫ হাজার মিটার জালও পুড়িয়ে ফেলা হয়।

একইভাবে উজিরপুরের ইউএনও ও নির্বাহী হাকিম প্রণতি বিশ্বাসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৩ হাজার মিটার জাল উদ্ধার হলে তাও পুড়িয়ে ফেলা হয়।

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 41 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*