Home » আদালত ও অাইন » এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে

এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে

বাংলার কন্ঠস্বর // সিলেটের এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় যৌথ অনুসন্ধান কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে এসে পৌঁছেছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা হয়। তবে আদালতে উপস্থাপনের আগে প্রতিবেদনে থাকা তথ্য জানাতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

এদিকে সংশ্লিষ্ট কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী জানিয়েছেন, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চে মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) প্রতিবেদনটি আদালতে দাখিল করা হতে পারে।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অনুসন্ধানে যৌথ কমিটি গঠন করে দেন হাইকোর্ট। সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারকে এই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি অনুসন্ধানকালে কমিটির সদস্যদের নিরাপত্তা ও তাদের সহযোগিতা করতে পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন হাইকোর্টের নজরে আনেন আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন। তখন আদালত এ বিষয়ে আইনজীবীকে আবেদন দাখিল করতে বলেন। পরে আইনজীবী গৃহবধূর ধর্ষণের ঘটনায় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আবেদন জানান এবং এর শুনানি করেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে আসেন এক তরুণী। এসময় ক্যাম্পাস থেকে কয়েকজন ছাত্র ওই তরুণীকে স্বামীসহ কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা স্বামীকে বেঁধে মারধর করে এবং গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী সেদিন (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। মামলায় নাম উল্লেখসহ ৬ জনকে আসামি করা হয়। সেই সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলো— এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আসামিদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র। এরই মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকব আসামিকে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 72 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*