ঢাকাFriday , 12 February 2016
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. করোনা আপডেট
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. প্রচ্ছদ
  15. প্রবাসে বাংলাদেশ

এবার প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে রক্ষা আনছার সদস্য’র

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ইমেজ সংকটে পড়তে শুরু করেছে সুনামের সাথে কাজ করে আশা আনছার সদস্যরা। বরিশালে ইতিমধ্যে নানা বিতর্কে জাড়াচ্ছে তারা। গতকাল সকাল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের ঘাটে পৌছায় সুরভী ৯ লঞ্চ। লঞ্চ থেকে আগে ভাগে নামতে গিয়ে আনছার সদস্যদের হামলার শিকার হন লঞ্চযাত্রী সুমন। সুমনকে বেধরক মারধর ছাড়াতে গিয়ে গুরুতর আহত হন সুমনের সাথে থাকা ২ বোন ও তার বাবা। মারধরের সূত্র লঞ্চে বসে হলেও ঘটনা গড়ায় পল্টুন এর উপর পর্যন্ত। অবশেষে ঘটনা থামাতে সেখানে চলে যান নৌপুলিশ। আনছার সদস্যদের বেপরোয়া তার পরেও সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে নৌ পুলিশের বলে জানান নৌ পুলিশের সূত্র। পরে নৌ পুলিশের কর্মকর্তারা আনছার সদস্য মোয়াজ্জেমকে আটক করে নিয়ে যায়। সেখানে আহত সুমনসহ তার বোনরা মামলা দিতে চাইলে অন্য লঞ্চের আনছার সদস্য ও সুরভী ৯ লঞ্চের সুপারভাইজার গিয়ে প্রকাশ্যে আনছার সদস্যকে ক্ষমা চাওয়ায়। প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে অবশেষে রক্ষা হল আনছার সদস্য মোয়াজ্জেমের। ঘটনার সূত্র জানা যায়, গতকাল ঢাকা থেকে বরিশালের উদেশ্যে রওনা হন বরিশাল নগরীর সুমন ও তার বিদেশ থেকে আশা বাবা এবং তার বোন। সুরভী ৯লঞ্চটি বরিশালের ঘাটে পৌছালে সুমন লঞ্চের পাশ দিয়ে নামতে চাইলে সেখানে আনছার সদস্যরা বাধা দেয়। বাধা দেয়ার এক পর্যায়ে সুমনের সাথে বাকবিতান্ডার সৃষ্টি হয়। এসময় উত্তেজিত হয়ে আনছার সদস্য মোয়াজ্জেমসহ আরো ২/৩জন তার উপর হামলা চালায়। সুমন আরো জানান, আমাকে মারধর করার দৃশ্য আমার বাবা ও বোন দেখে প্রতিবাদ করতে আসলে আমার বোনসহ বাবাকে প্রকাশ্যে বেধম মারধর করে আনছার সদস্য মোয়াজ্জেম। এঘটনার বিষয়টি নিয়ে নৌ পুলিশের এএসপি মোতালেব হোসেন বলেন, আমার কিছুই জানা নেই বলে এড়িয়ে যান নৌ পুলিশের এই কর্মকর্তা। তিনি আরো বলেন, এরকম ঘটনা ঘটলে তারা গিয়ে থানায় মামলা দায়ের করবেন সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। এবিষয়টি নিয়ে জেলা আনছার কমান্ডার কামাল হোসেন জানান, আমি বিষয়টি জানি না, তবে আমি আপনাদের মুখে শুনেছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এঘটনার বিষয়টি নিয়ে নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুল আলম  ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি আরো বলেন, আনছার সদস্য মোয়াজ্জেম সুমনসহ তার বাবা ও বোনের উপর লাঠিচার্জ করে। পরে বিষয়টি আমিই মিমাংসা করে দিয়েছি। তবে আনছার সদস্য মোয়াজ্জেমকে লঞ্চ থেকে অপসারন করা হয়ে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।