ঢাকাFriday , 4 March 2016
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. করোনা আপডেট
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. প্রচ্ছদ
  15. প্রবাসে বাংলাদেশ

এ বছরই জাতীয় নির্বাচন?

Link Copied!

বাংলার কন্ঠস্বরঃ

রাজনীতিতে এখন বেশ জোরেশোরে চলছে আগাম বা মধ্যবর্তী নির্বাচনের আলোচনা। বলা হচ্ছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরই মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হবে। ইতিমধ্যে বিএনপির সঙ্গে এ নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও হয়েছে। সরকারের উপদেষ্টা গওহর রিজভী লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকের কিছু অগ্রগতিও আছে। উপদেষ্টা গওহর রিজভী সাংবাদিকদের কাছে অনানুষ্ঠানিক সংলাপের সত্যতা স্বীকারও করেছেন।

পর্যবেক্ষকরা মনে করছিলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যেই সরকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের আয়োজন করবে। তবে নির্বাচনের সময়টা সর্বোচ্চ আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যেতে পারে বলে কেউ কেউ মনে করছিলেন। কিন্তু, গত ২১ জানুয়ারি সিলেটে মাজার জিয়ারতের পরে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হঠাৎ করে নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়ার মধ্য দিয়ে অনেকেই ধরে নিচ্ছেন, সম্ভবত শিগগিরই জাতীয় নির্বাচন আসছে। ইতিমধ্যে একটি পত্রিকা এই মর্মে খবর দিয়েছে যে, বর্ষার আগেই, সম্ভবত মে-জুন মাসে জাতীয় নির্বাচন হতে পারে। যদিও এখন ইউপি নির্বাচন চলছে এবং এটি চলবে জুন পর্যন্ত। মাঝপথে ইউপি স্থগিত রেখে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণাও আসতে পারে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। জাতীয় পার্টির নতুন কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচন দেবেন।

সর্বশেষ গত ২০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ এ বিষয়ে আরো এক পা বাড়িয়ে বলেছেন, নির্বাচন অতি নিকটে। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন। গত সপ্তায় সরকারের একজন সিনিয়র মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে একটি উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন প্রসঙ্গে আলোচনাকালে বলেন, আগামী জুনে সেটি উদ্বোধন করা হবে। তবে সেই পর্যন্ত যদি মন্ত্রী থাকি। মন্ত্রীর এমন মন্তব্যে উপস্থিত সকলে বিভ্রান্তিতে পড়েন এবং একে অন্যের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করেন।

অবস্থার পরিবর্তন

ভারতের তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের সহায়তায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি একতরফা নির্বাচন করিয়ে নেয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে আওয়ামী লীগ বলেছিলো, এটি নিয়মরক্ষার নির্বাচন। বিদেশিদের কাছে এই মর্মে গোপন কমিটমেন্ট দিয়েছিলো যে, শিগগিরই আরেকটি জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। কিন্তু, কিছুদিন পরই আওয়ামী লীগ তাদের অবস্থান থেকে সরে গেলো। বললো, ২০১৯ সালের আগে কোনো নির্বাচন নয়। বিএনপি আলোচনার আহ্বান জানালেও তারা তা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে। অবশেষে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারিকে কেন্দ্র করে লাগাতার তিন মাস আন্দোলন চলে। সেই আন্দোলন অতিক্রম করার পর আওয়ামী লীগ নিজেদের গুছিয়ে ক্ষমতায় ‘পোক্ত’ বলে ধরে নেয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত তো অবশ্যই, এমনকি ২০৪১ সাল পর্যন্তও ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখতে থাকে। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী (৫০ বছর) এবং একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বিএনপি-জামায়াতকে আর সক্রিয় বা সংগঠিত হতে দেয়া হবে না, ভেঙে খান খান করা হবে, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করানো হবে- এমনই গোপন পরিকল্পনা ছিলো সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের।

কিন্তু এখন নতুন এক আবহ তৈরি হতে যাচ্ছে। সরকার যেন সেই অবস্থানে আর থাকতে পারছে না। এর মূলে রয়েছে চতুর্মূখী চাপ। পশ্চিমাদের চাপ তো আছেই, দেশের মধ্যকার সুশীল সমাজও এ মুহূর্তে রাজনৈতিক সমঝোতা কামনা করছে। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও এখন বিগড়ে গেছে। তাছাড়া দলের মধ্যেও এক রকমের সন্দেহ-অবিশ্বাস কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত নভেম্বর মাস থেকে সকল ধরনের বিদেশ সফর স্থগিত করেছিলেন সেটি আর চালু করেননি।

জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও, যাদের ওপর পূর্ণ ভরসা ছিলো তারা এখন আর বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা দেখতে চাইছে না। ইতিমধ্যেই সরকারকে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে বলেছে। সরকারও ইতিপূর্বে একাধিকবার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিলো। লক্ষ্য ছিলো, বিএনপিকে ভেঙে কিছু একটা করার। তাতে অন্তত তিন দফায় ব্যর্থ হয়েছে। অবশেষে এখন সেই চেষ্টায় ক্ষ্যান্ত দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিএনপির নীতি পরিবর্তন

অবশ্য, বিএনপিও ইতিমধ্যে তাদের নীতি-কৌশলে আমূল পরিবর্তন এনেছে। এখন আর কোনো সংঘাত নয়, বরং দলকে সংগঠিত করা এবং নির্বাচনী প্রস্তুতির পথে রয়েছে বিএনপি। শুধু তাই নয়, বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় যাওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। কারণ, তাকে বিদেশিরা ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে, জানিয়েছে বিএনপিরই একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র। ভারতেরও তারা সিগন্যাল পেয়েছে বলে ওই সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। আর তাই গত ৫ জানুয়ারির ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন উপলক্ষ্যে সমাবেশের অনুমতি পেতে বিলম্ব হবার পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, অনুমতি না পেলে সমাবেশ করবে না, সংঘাতেও যাবে না। সর্বশেষ এখন কাউন্সিল নিয়ে কোনো সংঘাতে না যাওয়ার নীতিতে অটল রয়েছে। বরং তারা কাউন্সিল সুষ্ঠুভাবে সম্

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।