ঢাকাThursday , 25 February 2016
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. করোনা আপডেট
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. প্রচ্ছদ
  15. প্রবাসে বাংলাদেশ

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে ঠাঁই নেই বরিশালের কারও

Link Copied!

বাংলার কন্ঠস্বরঃ সদস্য না হয়েও এমপিপুত্র সহ-সম্পাদক

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ঠাঁই হয়নি বরিশাল মহানগর ও জেলা ছাত্রলীগের পদধারী কোনো নেতার। গোটা বিভাগের অন্য পাঁচ জেলা কমিটির পদধারী নেতারাও কেউ কেন্দ্রে স্থান পাননি। অবশ্য প্রাথমিক সদস্যপদ না থাকা সত্ত্বেও বরিশাল সদর আসনের এমপি জেবুন্নেছা আফরোজের ছেলে কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সম্পাদকের পদ দখল করে নিয়েছেন। এ নিয়ে তৃণমূল নেতাদের মাঝে বইছে সমালোচনার ঝড়।

জানা গেছে, কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সভাপতি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সহ-সম্পাদক পদ পেতে বরিশাল নগর ও জেলার কয়েক নেতা নানামুখী তদবির করেছিলেন। এ তদবিরের তালিকায় ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠির অনেক পদধারী নেতাও ছিলেন। তবে বিভাগের কোনো ছাত্রলীগ নেতারই কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই হয়নি। অবশ্য দলের অতীতের রেকর্ড ভঙ্গ করে কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সম্পাদক পদ দেয়া হয়েছে সদর আসনের এমপি জেবুন্নেছা আফরোজের ছেলে রাফসান সাজিদ হোসেনকে। সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণের ছেলে সাজিদ ঢাকার একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছেন। কিন্তু সাজিদের বরিশাল ছাত্রলীগের প্রাথমিক সদস্যপদও নেই। এ নিয়ে তৃণমূলে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বরিশাল ছাত্রলীগের একাধিক নেতা বলেন, দলের প্রাথমিক সদস্য না হয়েও সাজিদ কেন্দ্রে জায়গা করে নিয়েছেন। তার একমাত্র যোগ্যতা মা এমপি, বাবা সাবেক মেয়র। এভাবে প্রভাব খাটিয়ে পদ ভাগাভাগি করায় কেন্দ্রীয় কমিটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ রাজ্জাক বলেন, সাজিদ ছাত্রলীগের সাধারণ সদস্যও নন। তিনি পদ পেয়েছেন মানবিক কারণে, নিজের যোগ্যতায় নয়।

এদিকে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্বশীল এক নেতা জানান, সম্প্রতি বরিশাল নগরীতে টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, শিক্ষককে মারধরসহ নানা বিতর্কিত কর্মকা-ে মহানগর ও বিএম কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতারা জড়িত থাকায় তাদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ দেয়া হয়নি। একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে জেলা ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীদের বিরুদ্ধেও। এমপিপুত্র সাজিদের পদ পাওয়া প্রসঙ্গে ওই নেতা বলেন, এটি হয়েছে ওপর মহলের তদবিরে।

বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ দেয়ার জন্য তাকে প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি রাজি হননি। জসিম উদ্দিন বলেন, বরিশালে ছাত্রলীগ নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র চলছে। তাই তিনি বরিশালেই থাকবেন। বিতর্কিত কর্মকা-ের কারণে পদ দেয়া হয়নি এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন জসিম উদ্দিন। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত বলেন, বরিশাল ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত কাউকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে রাখা হয়নি। কেন রাখা হয়নি তা কেন্দ্র জানে। সাজিদের পদ পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাবেক মেয়র হিরণ ভাইয়ের ছেলে তাই হয়তো কেন্দ্র বিবেচনা করেছে। দলের বিতর্কিত কর্মকা-ে প্রভাব পড়েছে কিনা এ প্রসঙ্গে সুমন বলেন, সবাই তো ভুক্তভোগী নন।

ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নাদিম বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে বরিশালের কাউকেই রাখা হয়নি। এক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগে যোগ্য নেতৃত্বের সঙ্কট কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ তা মনে করে না। দলের সাধারণ সদস্য না হয়েও কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক পদ হিসেবে এমপিপুত্র সাজিদের ঠাঁই পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এরকমই হয়। কি করার আছে। তাছাড়া যোগ্যতার বিচার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতেই হতে পারে।

এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ও বিএম কলেজের সাবেক ভিপি আনোয়ার হোসেন বলেন, যোগ্য নেতা নেই বলেই বরিশাল ছাত্রলীগের কেউ কেন্দ্রে ঠাঁই পায়নি। বিভিন্ন সময় নানা বিতর্কের কারণে এমনটা হয়েছে। তিনি বলেন, ছাত্রলীগের প্রাথমিক সদস্যপদও না থাকা কাউকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হলে তা হবে দুঃখজনক। কোন যোগ্যতায় এমনটা হলো তৃণমূল নেতাদের এ প্রশ্ন তোলা স্বাভাবিক।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।