ঢাকাSaturday , 27 February 2016
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. করোনা আপডেট
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. প্রচ্ছদ
  15. প্রবাসে বাংলাদেশ

ক্ষমতাসীনদের একচেটিয়া জয়ের ছকে ইসি: বিএনপি

Link Copied!

বাংলার কন্ঠস্বরঃ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ‘একচেটিয়াভাবে’ ক্ষমতাসীনদের জয়ী করতে নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কমানোর পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

 

শুক্রবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অভিযোগ করেন।

 

তিনি বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি, ইউপি নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন। এমন কি নির্দেশনাও শিথিল করা হয়েছে। কেন এটা করা হচ্ছে- এটা সবার কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট। এসব পরিকল্পনা ও নির্দেশনার উদ্দেশ্যই হচ্ছে- ইউপি নির্বাচনে শাসক দলের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জিতিয়ে দেওয়ার মহাপরিকল্পনা।”

 

নির্বাচন কমিশনের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ভোটারবিহীন সরকার গণতন্ত্রের যে ভগ্নদশা করেছেন, তাতে নিবেদিত প্রাণ হয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে সহযোগিতা করেছে এই নির্বাচন কমিশন। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া ও নির্দেশনা শিথিল করা সেই সহায়তারই উলঙ্গ প্রকাশ।”

 

নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।

 

নির্বাচন কমিশনের ‘পক্ষপাতিত্ব’ ভোটকেন্দ্র ঘিরে সহিংসতা উস্কে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা রিজভী।

 

“বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দানে শাসকদলকে সহায়তা করা, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের জিতিয়ে দেওয়া, ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই ব্যালট বাক্স ভর্তি করে ফেলা, ভোটের আগে ভোটারদের বলে দেওয়া যে তাদের ভোট হয়ে গেছে- ইত্যাদি নির্বাচন নিয়ে সরকারি তামাশাকে যথার্থ নির্বাচন বলে বৈধ্যতা সিলমোহর দেওয়াই হচ্ছে এখন নির্বাচন কমিশনের মুখ্য দায়িত্ব।”

 

নির্বাচন ঘিরে ক্ষমতাসীনদের নানা ধরনের অনিয়মের খবর প্রতিদিন সংবাদপত্রে এলেও নির্বাচন কমিশন তা আমলে নেয় না বলে অভিযোগ করেন রিজভী।

 

তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন অভিযোগগুলোতে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে জনগণের ভোট নিয়ে সরকারের ইয়ার্কি-ঠাট্টার সহচর হিসেবে সার্কাসের ভাঁড়ের মতো ভূমিকা পালন করছে।

 

“কমিশন শুধু নিজেদের চাকরির প্রতিদানের নজরানা হিসেবে সরকারকে আগের নির্বাচনগুলোর মতো ইউপি নির্বাচনেও চেয়ারম্যান পদ পাইয়ে দিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে এখন থেকে। ভোটারবিহীন সরকারের আক্রমণে গণতন্ত্রের মৃতদেহে পচনের গন্ধ যেন না উঠে, সেজন্য নির্বাচন কমিশন গণতন্ত্রের নামে কিংম্ভুৎকিমাকার দায়িত্ব পালন করে সেই মৃতদেহে আগরবাতির ধোঁয়া ও গোলাপ জল ছিটাচ্ছে।”

 

আগামী ২২ মার্চ অনুষ্ঠেয় প্রথম ধাপের ৭৩৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ১১৪টিতে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী নেই। ৭০টিতে বিএনপি মনোনীতদের মনোনয়নপত্র পড়েনি, অন্যদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

 

ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তাদের যোগসাজশের কারণে এটা হয়েছে বলে দাবি করেছেন রুহুল কবির রিজভী।

 

“নির্বাচন কমিশন সরকারি দলের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে একেবারেই মরিয়া,” বলেন তিনি।

 

সাবেক সামরিক শাসক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর দেওয়া বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে এর প্রতিবাদ জানান রিজভী।

 

তিনি বলেন, “কালকে তথ্যমন্ত্রী মিডিয়ার সামনে বলেছেন, ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত জেনারেল জিয়াউর রহমানের ক্যান্টনমেন্টকে কসাইখানা বানানোর ঘটনা-এখানেও কমিশনের (তদন্তে) ব্যাপার রয়েছে। এসব নানা কথা তিনি বলেছেন।

 

“আমাদের বক্তব্য হচ্ছে- কারা সেদিন ক্যান্টনমেন্টকে বধ্যভূমি করেছিলেন, কারা সৈনিক সংস্থার নামে লিফলেট ছড়িয়ে ছিলেন, কারা একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীকে রাজনীতিকরণ করার চেষ্টা করেছিলেন, কারা সেদিন সংঘাত ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, কারা চেষ্টা করেছিলেন জিয়াউর রহমানকে, যিনি তখন সেনাবাহিনী প্রধান, তাকে নিয়ে এসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বক্তব্য দেয়ানোর-এসব জাতি কী ভুলে গেছে?

 

“কারা সেদিন ভারতীয় হাই কমিশনে আক্রমণ করতে গিয়েছিলেন? কেন গিয়েছিলেন? কী উদ্দেশ্য ছিল? এই কাজগুলো করেছিলেন কারা, সেটা জাতি জানে। হাসানুল হক ইনুরাই আজকে যে আমরা জঙ্গিদের কথা শুনি, যে রক্তাক্ত ঘটনাগুলো দেখছি, এই জঙ্গিদের অনুরূপ মডেল আমরা দেখেছি ইনুদের কর্মকাণ্ডে- সেটা এদেশের মানুষ ভুলে যায়নি। আজকে ক্ষমতার লোভে তারা বড় বড় কথা বলছেন।”

 

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর খন্দকার মোশতাককে সামনে রেখে দেশের ক্ষমতার নিয়ন্ত্রক হয় সেনাবাহিনী। সেনাপ্রধানের দায়িত্বে আসেন জিয়াউর রহমান।

 

এর আড়াই মাস পর জিয়াকে গৃহবন্দি করে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব নেন খালেদ মোশাররফ। ৭ নভেম্বর জাসদ নেতা কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে পাল্টা অভ্যুত্থানে আবারও ক্ষমতা কেন্দ্রে আসেন জিয়া। ওই দিনকে ‘বিপ্লব ও সংহতি’ দিবস হিসেবে পালন করে বিএনপি।

 

জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করতে এবং তার অব্যবহিত পরে হাসানুল হক ইনুর দল জাসদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ও

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।