ঢাকাWednesday , 6 April 2016
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. করোনা আপডেট
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. প্রচ্ছদ
  15. প্রবাসে বাংলাদেশ

খিলগাঁও তালতলা সিটি সুপার মার্কেটের কোটি টাকা আত্মসাৎ নেপথ্যে বনিক সমিতি

Link Copied!

বাংলার কন্ঠস্বরঃ

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা সিটি সুপার মার্কেটে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে চলছে ব্যাপক চাঁদাবাজী। নেপথ্যের নায়ক বর্তমান সভাপতি হুমায়ুন কবির আজাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আতœসাত কারার অভিযোগ উঠেছে।

 

১৯৮৬ সালে ততকালীন জাতীয় পার্টি সরকারের স্থানীয় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান রাজধানীর সর্ববৃহত্ত এ মার্কেটটি উদ্বোধন করেন।

 

সরকারী মাকের্টের নিয়ম অনুযায়ী তিন বছর পর পর মার্কেট ব্যবসায়ী বনিক সমিতির নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও ১৯৮৬ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ২৯ বছরে ২০০১ সালে শুধু একবার নির্বাচনের মুখ দেখেছিল মার্কেট ব্যবসায়ীরা।

 

এক ব্যবসায়ী বলেন, যখন যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে তখনি খিলগাঁও তালতলা সিটি সুপার মার্কেটের রস খেয়ে ঝোগা রেখেছেন অথবা সরকার দলীয় লোক জন তাদেরকে সন্ত্রাসীর মাধ্যোমে তারিয়ে দিয়েছেন।

 

ব্যবসায়ী বলেন, খিলগাঁও তালতলা সিটি সুপার মার্কেটে সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে মার্কেট বনিক সমিতির বর্তমান সভাপতি সাবেক পুলিশের ডিএসপির ছেলে হুমায়ুন কবীর আজাদ, জাতীয়পার্টি এরশাদের আমলে যিনি মার্কেট শুরুর কিছু দিন পরেই জাতীয় পার্টির এলাকার নেতা পরিচয়ে সুকৌসলে মার্কেটের ব্যবসায়ী বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বে আসেন।

 

অনুসন্ধানে উঠে আসে, জাতীয় পার্টি সরকারের নয় বছর ব্যাবসায়ীদের জিম্মি করে দূর্নীতি আর চাঁদাবাজী, অবৈধ উপায়ে কামিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। তখনকার সময়ে তালতলা মার্কেটের বেশ অনেক দোকানের মালিক দুর দুরান্তে থাকার সুবাদে দোকান মালিকদের দোকানের বরাদ্ধ বাতিল করে নিজের নামে নিয়ে তা কিছুদিন পরে বিক্রি করে দেয়ারও অভিযোগ আছে। নিজ স্বার্থের প্রয়োজনে এলাকার নিরীহ ছেলেদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে অযথা হয়রানি করতেন বলে জানা গেছে।

 

অভিযোগ আছে, সিটি করপোরেশন থেকে দোকান বরাদ্ধ পাওয়ার পরেও সেই দোকান বুঝে পাননি দোকান মালিকরা, হজম করে ফেলেছেন বনিক সমিতির বর্তমান সভাপতি হুমায়ুন কবীর আজাদ, আর সে সব দোকানের বিষয়ে কেহ প্রতিবাদ করতে এলে নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ভয়ভিত্তি  দেখিয়ে দৌরের উপর রাখতেন দোকান মালিকদের।

 

প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে মধ্যো রাত পর্যন্ত চলতো বনিক সমিতি অফিসে নারী আর মদের আসর। এভাবেই চলতে থাকে এরশাদের নয় বছর ।

ক্ষমতার পালাবদলে আসে বিএনপি, তদবির শুরু করেন মির্জা আব্বাসের সাথে, অনেক দেনদরবার করেও টিকে থাকতে পরেনি দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজ হুমায়ুন কবীর আজাদ। মার্কেট দখল নেয় বিএনপির আরেক এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী খান জুয়েল। খান জুয়েলের নিজস্ব ক্যাডার বাহিনীর কাছে দৌরানি খেয়ে মার্কেট থেকে পালিয়ে যায় হুমায়ুন কাবীর আজাদ। বিএনপির ৫ বছর অর্ন্তবাসে থাকার পর ক্ষমতায় আসে আওয়ামীলীগ শুরু হয় দৌরঝাপ কিভাবে আবার মার্কেটে ঢোকা যায় তদবির চেষ্ঠা কোনটাই বন্ধ রাখেনি হুমায়ুন কবীর আজাদ এবার আওয়ামীলীগের দলীয় নেতা পরিচয়ে চলছে আলোচনা।

 

ব্যাবসায়ীরা জানান, খিলগাঁও তালতলা সিটি সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী বনিক সমিতির নির্বাচন সংক্রাস্ত বিষয়ে ২০০৯ সালে মির্জা আব্বাসের আর্শিবাদপৃষ্ট এলাকার চিহিৃত সন্ত্রাসী বিএনপির খান জুয়েল এবং খিলগাঁও থানার অধীনে ১ নং ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম (বড়মিয়া) এবং মার্কেট নেতা দিলশাদ মাহমুদ যুগ্ন সাধারন সম্পাদক (বনিক সমিতি) আদালতে একটি বর্তমান ব্যবসায়ী বনিক সমিতি ও নির্বাচন বিষয়ে একটি রিট আবেদন করেন। আজও পর্যন্ত রিট রিটের জায়গায় রয়ে গেছে নিস্পত্তি আর হয়নি কারন জানাগেছে মামলার শুনানীর তারিখ আসলেই রেজাউল করিম (বড়মিয়া) আর আদালতে হাজীর হননা অথচ রেজাউল করিম বড়মিয়ারাই রিটের বাদী, এখন উভয় পক্ষ মিলেই মামলার বেহাল দশা বানিয়ে রেখেছে যেন নতুন করে আর কেহ ব্যবসায়ী বনিক সমিতির নির্বাচন নিয়ে না ভাবে।

 

এদিকে আরেক বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা নুরুজ্জামান জুয়েল, এমপি সাবের হোসেন চৌধুরী সহ শীর্ষ নেতাদের সহযোগিতায় অনেক দেনদরবার করে এলাকার দলীয় কোন পদপদবী না থাকলেও সে এখন আওয়ামীলীগের নেতা, যিনি বর্তমানে খিলগাঁও তালতলা মার্কেট বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়ীত্ব পালন করছেন।

 

অনুসন্ধানে জানাযায় কিছু দিন আগেও খিলগাঁও তালতলা সিটি সুপার মার্কেটের ভয়াবহ অবস্থা ছিলো, লুটপাট করে ফেলেছে কোটি কোটি টাকা। মার্কেটে ফুটপাতে অবৈধভাবে দোকান বসানো এক প্রতিযোগিতায় মেতেছিল দলীয় নামধারী ছাত্রলীগ যুবলীগ সেচ্ছাসেবকলীগের নেতা কর্মীরা। গাড়ী পার্কিংয়ের জায়গাটুকু নেই ছিল তাদের দখলে । ফুটপাতে প্রতিটি দোকান বসাতে নেয়া হতো ২০,০০০ হাজার টাকা থেকে ১,০০০০০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অগ্রীম দিতে হতো দৈনিক ৩০০ টাকা চাঁদা দিতে হতো বিভিন্ন সংস্থাকে তাতে মার্কেটে ফুটপাতে দোকান ছিলো প্রায় দেড় হাজারের বেশী। সে হিসেবে সব মিলিয়ে প্রতিদিন চাঁদা তোলা হতো প্রায় লক্ষ টাকা। এর নেপথ্যের নায়ক ছিলো ব্যবসায়ী বনিক সমিতির সভাপতি হুমায়ুন কবির আজাদ।

 

নাম না প্রকাশে মার্কেটের এক ব্যবসায়ী জানান, তালতলা মার্কে

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।