ঢাকাMonday , 11 April 2016
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. করোনা আপডেট
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. প্রচ্ছদ
  15. প্রবাসে বাংলাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছেলের লাশ নালায়, গাছে ঝুলছে মা ও তার প্রেমিক

Link Copied!

বাংলার কন্ঠস্বরঃ

বাঁশবাগানে একটি গাছের ডালে একই ওড়নায় বাঁধা দুটি দেহ ঝুলতে দেখে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। কিছুটা দূরেই একটি শুকনো নালার মধ্যে পড়ে রয়েছে বছর ছয়েকের এক শিশুর মৃতদেহ। রোববার ভোর ৬টার দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর দক্ষিণ ছয়ঘরিয়ার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম চন্দন ভট্টাচার্য (৩২), হেমলতা মণ্ডল (২৫) ও নীল মণ্ডল (৬)। হেমলতা তার ছেলে নীলকে নিয়ে নিউটাউনের ঢালিপাড়ায় থাকতেন। চন্দনের বাড়ি বনগাঁর মধ্য ছয়ঘরিয়ায়। ওই যুবকের সঙ্গে হেমলতার বিবাহবর্হিভূত সম্পর্ক ছিল বলে পুলিশের অনুমান। ঘটনাস্থল থেকে বিষের শিশি ও ঠান্ডা পানীয়ের বোতল পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৬ এপ্রিল নিউটাউনে বাড়ির কাছেই গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তে গিয়েছিল নীল। রাত ৮টার দিকে হেমলতা তাকে আনতে যাচ্ছি বলে বাড়ির থেকে বের হন। হেমলতার স্বামী দাশু মণ্ডল জানান, এরপর থেকেই স্ত্রী ও ছেলে নিখোঁজ ছিলেন। সারারাত এলাকায় খোঁজার পরও তাদের পাওয়া যায়নি। তারপরেই নিউটাউন থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ছেলেকে নিয়ে হেমলতা চন্দনের কাছে যায়। চন্দন তাদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে চন্দনের বাবা সুদীপ ভট্টাচার্য ও মা তাপসী ভট্টাচার্য এই সম্পর্কে আপত্তি জানিয়ে তাদের বাড়ির থেকে চলে যেতে বলেন। এর পরদিন সকালে তাদের দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, ঠান্ডা পানীয়ের মধ্যে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে ওই শিশুকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন চন্দন ও হেমলতা। শিশুটির মাথায় ও গায়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। দাশুবাবু বলেন, ‘নিউটাউন থানার পুলিশ মারফত জানতে পারি যে ছেলে ও হেমলতা বনগাঁতে রয়েছে। তাই এ দিন ভোরবেলায় তাদের আনতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু এভাবে আমার ছেলেকে দেখতে হবে তা স্বপ্নেও ভাবিনি।’ স্ত্রীর বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কের কথা তার অজানা ছিল বলে দাবি দাশুবাবুর। বছর আটেক আগে পেশায় অটোচালক দাশুবাবুর সঙ্গে হেমলতার বিয়ে হয়েছিল। তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক অশান্তিও ছিল না। পুলিশ জানিয়েছে, চন্দন নিউটাউন এলাকাতেই সিকিওরিটি গার্ডের কাজ করতেন। সেখান থেকেই হেমলতার সঙ্গে তার পরিচয়। এ দিন মৃত ছেলেকে কোলে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন দাশুবাবু। চন্দনের বাবা মা ঘটনাস্থলে এসে হতবাক হয়ে পড়েন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।