দুর্গাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মেহেরুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাকে দাফন করা হয়েছে। কিন্তু সে সময় তার কোনো স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গ সূত্র জানায়, মৃত্যুর পর পুলিশের উপস্থিতিতে সুরতহাল করা হয় ওই বন্দির। এরপর তার ভাইদের উপস্থিতিতে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। গত শনিবার (২০ জানুয়ারি) ভোর রাতে জাকির হোসেন রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ জানান, লালমনিরহাট আদিমারী উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের পনির হোসেনের সন্তান ছিলেন কারাবন্দী জাকির। অসুস্থবোধ করায় কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে গত ৩১ ডিসেম্বর তাকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসা হয়। তার নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা ছিল। কারাগারে বিচারাধীন মামলার হাজতি হিসেবে ছিলেন (হাজতি নম্বর: ৬৩৩৬৬/২৩) তিনি।
তিনি জানান, জাকিরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সকল আইন মেনে গত বুধবার তাকে চিকিৎসার জন্য জেল থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোর ৫টার দিকে মারা যান তিনি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মিরপুরের এক তরুণীর করা ধর্ষণ মামলায় (২২-১১-১৮) জাকিরকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা-পুলিশ। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় আরেক মামলা করেন মণিপুরি পাড়ার একটি ছাত্রী হোস্টেলের ২৬ বছর বয়সী এক নারী। অভিযোগের ভিত্তিতে জাকির এবং তার সহযোগী জায়েদা আক্তার শাপলাকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা-পুলিশ। পরে জাকিরকে রিমান্ডে নিলে জবানবন্দিতে পুলিশ জানতে পারে জাকির শুধু ধর্ষণ নয়, ১৪ বছরে বিয়ে করেছেন ২৮৬টি।








