শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালে ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তজুমদ্দিনে নানা বাড়িতে বেড়াতে আসে ওই শিশু।
এ সময় একই বাড়ির ইয়াসিনের ছেলে আব্বাস উদ্দিন (৩৫) শিশুটিকে পার্শ্ববর্তী জালাল মাস্টারের পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। এ সময় শিশুর কান্না শুনে লোকজন এগিয়ে এলে লম্পট আব্বাস উদ্দিন পালিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত মেডিক্যাল অফিসার ডা. জান্নাতুন নাঈম জানান, শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানায় অবহিত করে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রিপোর্ট দেখে এ বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তজুমদ্দিন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল হক জানান, ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। নারী ও শিশু নির্ষাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।








