ঢাকাWednesday , 3 February 2016
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. করোনা আপডেট
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. প্রচ্ছদ
  15. প্রবাসে বাংলাদেশ

নৌকা পেতে মরিয়া আ.লীগের প্রার্থীরা

Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীক নৌকা পেতে মরিয়া হয়ে ছুটছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। মনোনয়ন নিশ্চিত করতে তারা এখন নিজ নিজ এলাকার আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতাদের দ্বারস্থ হচ্ছেন।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্মেলনের জন্য নির্বাচন পেছাতে পারে।
গত রোববার ও সোমবার জাতীয় সংসদে বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যের কক্ষ ঘুরে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকদের ভিড় দেখা গেছে।
তারা জানান, আওয়ামী লীগের দলীয় ফোরামের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেবেন তৃণমূল অর্থাৎ জেলা, উপজেলা, থানা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক। স্থানীয় সংসদ সদস্যদের প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষমতা কাগজে-কলমে নেই। তারপরও প্রার্থীরা মনে করছেন, ক্ষমতা প্রকাশ্যে না থাকলেও আড়ালে থেকে কলকাঠি নাড়বেন সংসদ সদস্যরাই। তাই কোনো প্রার্থীর পক্ষে স্থানীয় এমপি অবস্থান নিলে তার পক্ষে অন্য নেতাদের ম্যানেজ করে মনোনয়ন পেতে সুবিধা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের এক কেন্দ্রীয় নেতা ও সংসদ সদস্য বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন যত দ্রুত হবে ততই আমাদের জন্য ভালো। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি, এখন থেকেই আমাদের অফিসে, বাসায়, সংসদ ভবনের লবিতে সবখানে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। আমরা আশা করছি ফেব্র“য়ারির ১০ থেকে ১৪ তারিখের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং মার্চ অথবা এপ্রিলে হবে ভোটগ্রহণ।
তবে স্থানীয় সরকার সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির জাতীয় সম্মেলনের কারণে পিছিয়ে যেতে পারে প্রথম পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়।
জানা গেছে, ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলন। একই মাসের ১৬ অথবা ১৭ তারিখ জাতীয় সম্মেলন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। যেহেতু ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে, সে কারণে মার্চের পর নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে সুপারিশ করা হয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন গতকাল বলেন, আইন অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। তবে মার্চ মাসে যেহেতু বড় দুই রাজনৈতিক দলের জাতীয় সম্মেলন, সে কারণে নির্বাচনকে আরও জমজমাট করতে সম্মেলনের পর তারিখ ঘোষণার জন্য আমরা নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানিয়েছি। নির্বাচন কমিশন যেহেতু স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, তাই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
ফরিদপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এই সংসদ সদস্য বলেন, দলীয় প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে প্রার্থী ঠিক করা খুবই কঠিন আওয়ামী লীগের জন্য।
এ বিষয়ে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের অন্যতম সদস্য রাশিদুল আলম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে তাদের এলাকায় প্রাথমিক জনসংযোগ শুরু করেছেন। তফসিল ঘোষণার পর কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন তারা। তবে প্রতিটি ইউনিয়নে আমাদের একাধিক প্রার্থী রয়েছে। সেক্ষেত্রে একজনকে মনোনয়ন দিয়ে বাকিদের বহিষ্কারের ভয় দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরিয়ে আনা কঠিন হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, পৌরসভা নির্বাচনে ফল দেখার পর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে ধারণা গেঁথে গেছে নির্বাচনে নৌকা প্রতীক মানেই বিজয় সুনিশ্চিত। এ কারণে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা দলীয় প্রতীক পেতে উঠেপড়ে লেগেছেন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সুষ্ঠুভাবে মনোনয়ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা না হলে তৃণমূলে দলীয় কমান্ড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ তৃণমূলে একজন চেয়ারম্যান মনোনয়নপ্রত্যাশীর সঙ্গে তার আত্মীয়-স্বজন-শুভানুধ্যায়ী মিলিয়ে অনেক ভোটার থাকে। পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দৈ আ স

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।