ঢাকাFriday , 8 January 2016
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. করোনা আপডেট
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. প্রচ্ছদ
  15. প্রবাসে বাংলাদেশ

বরিশালে পুলিশ টহলের নামে যা চলছে…

Link Copied!

বাংলার কন্ঠস্বরঃ বরিশাল মেট্টোপলিটন  এলাকার নাগরিক নিরাপত্তা বিধানে ৪টি থানা গঠন করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এরপরেও প্রতিনিয়ত অপরাধ ঘটেই চলছে। মাদকের অবাধ বিস্তারসহ নগরীতে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলছে। বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের ব্যাপক সংখ্যাক জনবল থাকা সত্ত্বেও অপরাধ প্রবনতা ঠেকানো যাচ্ছেনা বলে বিশিষ্টজনদের অভিমত। বরিশাল শহর তথা গোটা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন কোতয়ালী মডেল থানার আওতায় যখন ছিলো তখনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল তৎপর। বর্তমানে রাতের নগরীতে ঘুরে দেখা যায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়সারা দায়িত্ব পালনের দৃশ্য। বেশ কিছু অপরাধিদের রাতের বেলায় বিভিন্ন স্থানে প্রায়ই ল্য করা যায়, খোদ নগরপুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে তথা বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের সামনে ২/১টি চায়ের দোকান খোলা থাকে। সেই দোকান গুলোতেই আড্ডা দেয়া কিছু অপরিচিত লোক এরা কারা দায়িত্বরত পুলিশ কখনও তা জানতে চায়না। আবার কখনো দেখা যায় দায়িত্বরত পুলিশের সাথে সখ্যতা মিলিয়ে আড্ডা দেয়া ওইসব লোকগুলো। শুধু শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের সামনেই নয়। নগরীর সদর রোড কাউনিয়া লঞ্চঘাট এলাকা ভাটিখানা চরকাউয়া খেয়াঘাট রুপাতলি নতুলাবাদসহ বিভিন্ন স্থানে আড্ডা দিতে দেখাযায়। গোটা শহরের রাতে পুলিশ টহল গাড়ি গুলোর কর্তারা তাদের সাথের ফোর্সদের গাড়িতে রেখে তারা তাদের বাসায় গিয়ে ঘুমায়। আবার কেউ কেউ নগরীর সিটি কর্পোরেশন এর মোড়ে, বিবির পুকুর পাড়ে নতুলাবাদে তালতলি এলাকায় গাড়ি থামিয়ে ঘুমিয়ে থাকে। রাতের নগরীতে কে কোথায় যাচ্ছে বা কে কোথায় কি করছে সেটি দেখার সময় যেন নেই কারো। বরিশালের কোন স্থানে পুলিশের টহল না দেখলেও একাধিক স্পট আছে যেখানে গেলে পুলিশের কর্তা বাবুদের খুজে পাওয়া যায়। যেমন রয়েছে কোতয়ালী মডেল থানা এলাকার পুরাতন লঞ্চঘাট এলাকা, কাউনিয়া থানা এলাকার তালতলী, নৌবন্দর থানা এলাকার চরকাউয়া খেয়াঘাট বা কর্ণকাঠি চৌরাস্তা এবং এয়ারপোর্ট থানা এলাকার নথুলাবাদ বাসষ্ট্যান্ড। ডিউটি যেথায় থাক এই স্পট গুলোতে গেলে পুলিশের আর অভাব দেখা যায় না। বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের বিপুল সংখ্যাক অফিসার থাকলেও তাদের ভূমিকা নিয়ে রয়েছে নানা গুঞ্জন। বিষয়টি নিয়ে বরিশালের বিশিষ্টজনদের সাথে আলাপ করলে তারা জানান, রাতে নগরীতে তেমন একটা পুলিশের টহল লক্ষ করা যায় না, তার পরেও যারা ডিউটিতে থাকে তাদের মনিটরিং করা উচিৎ। সঠিক ভাবে মনিটরিং করা হলে হয়তো বরিশাল নগরীর ছোট খাট সমস্যা গুলো সমাধান হয়ে যাবে। এদিকে পুলিশের একটি বিশেষ সূত্র নিশ্চিত করে বলেন, মেট্টোপলিটন এলাকায় রাতে ডিউটিরত অধিকাংশ কর্মকর্তারাই ঘুমায় বাসায় গিয়ে আবার তারা সঠিক টাইমেই পার্টি নিয়ে হাজির হয় থানায়। আসলে বিষয়টা নিয়ে অনেক বিতর্কে চলে এসেছে বেশ কয়েকজন অফিসারের নাম। অপর একটি সূত্র নিশ্চিত করে বলেন, শুধু বাসাই নয় অনেক দারোগা আবার আবাসিক হোটেলে গিয়েও ঘুমায়। তবে সকল বিষয়ই সাফাই গেলেন নগর পুলিশের মূখপাত্র সিনিয়র সহকারী কমিশনার আবু সাইদ। তিনি বলেন আমরা সঠিক ভাবে মনিটরিং হচ্ছে। এ ব্যাপারে কঠোর পদপে নেয়া হচ্ছে বলে জানালেন, নগরপুলিশের কমিশনার লুৎফর রহমান মন্ডল। তিনি বলেন, আমি খোজ খবর নিয়ে দেখছি যারা এই কাজটা করে তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।