ঢাকাWednesday , 2 March 2016
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. করোনা আপডেট
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. প্রচ্ছদ
  15. প্রবাসে বাংলাদেশ

বরিশাল আওয়ামীলীগে এ কোন দামামা ?

Link Copied!

বাংলার কন্ঠস্বরঃ

নেতৃত্ব নিয়ে বরিশাল আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠেছে। পাল্টা-পাল্টি কর্মসূচি আর একে অন্যের বিষোদগার করার ঘটনা উত্তাপ ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। মহানগর ও জেলা দলের দ্বন্দ্বে পুড়ছে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। দেখা দিয়েছে চরম আতঙ্ক-অস্থিরতা। বিশেষ করে প্রভাবশালী দুটি গ্রুপের দ্বন্দ্ব সহিংস হয়ে ওঠায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভুগছে কর্মীরা।

প্রশ্ন উঠেছে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ ও রাজনৈতিক মেরুকরণ নিয়ে। তবে এসব প্রশ্নের জবাবে রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মন্তব্য, মহানগর আওয়ামী লীগ যে পথে যাচ্ছে তাতে সংঘাত অনিবার্য। ফলশ্রুতিতে যে কোনো সময় ঘটতে পারে অপ্রীতিকর ঘটনা।

বলা বাহুল্য, আওয়ামী লীগের এ দুটি গ্রুপের দ্বন্দ্ব এতোদিন অনেকটা লুকোছাপা থাকলেও সম্প্রতি সংসদ সদস্য (এমপি) জেবুন্নেছার অনুসারী বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নিজামুল ইসলাম নিজাম ও মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসিম দেওয়ানের বাসায় হামলা ভাঙচুরের ঘটনায় বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসে।

এখন উভয় গ্রুপের কর্মসূচিত এবং কাদা ছোড়া-ছুড়িতে প্রতিনিয়ত রাজপথে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে বিবাদমান আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণপত্নী সদর আসনের সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ।

অপর গ্রুপকে নেতৃত্ব দিয়ে মাঠে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাত ভাই সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ ২০১৪ সালে আকস্মিক মৃত্যুবরণ করলে ওই পদটিতে অসীন হওয়া নিয়ে সৃষ্টি হয় দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব। হিরণ অনুসারীরা চাইছেন- ওই পদটিতে হিরণের বিকল্প হিসেবে এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে দাঁড় করাতে। অপরদিকে, হাসানাতপুত্র কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ চাইছেন একই পদে নিজে অধিষ্ঠিত হতে।

অপরদিকে, হিরণের মৃত্যুর পরে তার অনুসারী বরিশাল সিটি করপোরেশনের ত্রিশটি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকর্মী নিয়ে সাদিক আব্দুল্লাহ বলয়ও সৃষ্টি করেন। ঘটনাচক্রে এখানকার বিভক্ত আওয়ামী লীগে সাদিক হয়ে উঠেন বড় ফ্যাক্টর। এমতাবস্থায় সাদিককে কোণঠাসা করে ক্ষমতার ভারসাম্য এবং হিরণের বলয়টিকে টিকিয়ে রাখতে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম জেবুন্নেছা আফরোজকে ‘ট্রামকার্ড’ হিসেবে ব্যবহার করেন।

আর এতে নেপথ্যে থেকে এই গ্রুপটিকে উৎসাহিত করছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। মূলত এ কারণেই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজার সঙ্গে সাদিক আব্দুল্লাহর দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারন করে।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল ইসলাম নিজামের বাসায় বোমাহামলার ঘটনায় সাদিক আব্দুল্লাহর সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে শনিবার নগরীতে প্রতিবাদ সমাবেশ করে জেবুন্নেছাকূলের নেতাকর্মীরা। বরিশাল নগরীর বিবির পুকুর পাড়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সভায় হাসানাতপুত্র সাদিককে নানা ধরণের বিষোদগার করা হয়। এমনকি ওই সভায় বক্তারা নিজামের বাসায় হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ানের বাসায় হামলার ঘটনায়ও সাদিকের সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগ তোলা হয়। সেই ঘটনায় যুবলীগের এই নেতার ১২ অনুসারীকে অভিযুক্ত করে দ্রুত বিচার আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এরপরেই ওই মামলাটি প্রত্যাহারের দাবিতে সাদিকের অনুসারীরা বরিশাল নগরীতে বিশাল একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে শো-ডাউন দেয়। এতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বরিশাল আওয়ামী লীগের রাজনীতি

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।