ঢাকাTuesday , 19 January 2016
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. করোনা আপডেট
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. প্রচ্ছদ
  15. প্রবাসে বাংলাদেশ

বাবুলের বিয়ার তৈরির মামলায় সাক্ষী আসেনি

Link Copied!

বাংলার কন্ঠস্বরঃ অবৈধভাবে বিয়ার উৎপাদন এবং তা বাজারজাতকরণের মামলায় যমুনা গ্রুপের কর্ণধার নূরুল ইসলাম বাবুল ও তার স্ত্রী, ছেলেসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা মামলায় প্রথম দিনই আদালতে সাক্ষী হাজির হয়নি।

সাক্ষীর জন্য নির্ধারিত দিনে কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহফুজুর রহমান লিখন।

ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আবদুর রহমান সরদার মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১৮ ফ্রেব্রুয়ারির দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহফুজুর রহমান লিখন দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, যমুনার বাবুলসহ চারজনের ‍বিরুদ্ধে করা মামলায় মঙ্গলবার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিলো। সাক্ষী হাজির না হওয়ায় আদালতের কাছে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

তিনি আরও বলেন, অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করবেন বলে তারা আদালতকে মৌখিকভাবে বলেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৮ মার্চ গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুরে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান মেসার্স ক্রাউন বেভারেজের কারখানায় বেআইনিভাবে বিয়ার উৎপাদন করে তা বাজারজাতকরণের অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক মো. আজাদুল ইসলাম ছালাম মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা হওয়ার ২৩ দিন পর ৩১ মার্চ ক্রাউন বেভারেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাবুলের ছেলে শামীম ইসলাম, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক নূরুল ইসলাম ও সালমা ইসলাম এবং মহাব্যবস্থাপক মো. সুরোজ রহমান শেখের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, অধিদফতরের লাইসেন্স ছাড়া হান্টার ও ক্রাউন নামে দুটি বেভারেজ উৎপাদন করেছে ক্রাউন বেভারেজ, যা আসলে বিয়ার। ওই দুটি পণ্য বিক্রির জন্য বেশ কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়।

দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল গেজেটের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ৫০১৭/২০০৪ নং পিটিশনের কারণে প্রায় ১২ বছর বিচারকার্য বন্ধ থাকে মামলাটির। পরবর্তী সময়ে রিট পিটিশন খারিজ হয়ে যাওয়ায় ২০১৫ সালের ১৭ নভেম্বর আবার বিচারকার্য শুরু হয়।

২০১৬ সালের ১২ জানুয়ারি ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আবদুর রহমান সরদার বাবুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।