রোববার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ সুফিয়ান রুস্তমের দপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এ সময় তত্ত্বাবধায়ককে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
জরুরি বিভাগ ছাড়া হাসপাতালের অন্যান্য সব বিভাগে চিকিৎসাসেবা সাময়িক বন্ধ রয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার (১১ এপ্রিল) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এক হৃদরোগীর মৃত্যু হলে বিক্ষুব্ধ স্বজনরা দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাইমুল হাসনাতের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। এর একদিন পর শনিবার রাতে ইনডোরের পুরুষ ওয়ার্ডে আরেক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসক ডা. এফরান মাহমুদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হুমকি দেয় রোগীর স্বজনরা। পরে নিরাপত্তার শঙ্কায় ডা. এফরান হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
রোববার সকালে আবারও ওই রোগীর স্বজনরা হাসপাতাল এসে চিকিৎসকের খোঁজ নিতে থাকেন এবং তাকে হুমকি দিয়ে সাত দিনের আল্টিমেটাম দেন।
এই ঘটনার পরপরই হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে তত্ত্বাবধায়কের কক্ষের সামনে অবস্থান নেন এবং কর্মবিরতি শুরু করেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক তার কক্ষে অবরুদ্ধ ছিলেন।