1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
সুদানের দারফুরে সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

সুদানের দারফুরে সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক // সুদানের পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুরে একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ আদালতে সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির মানবাধিকার সংগঠন ইমার্জেন্সি লইয়ার্স।

রোববার (২ আগস্ট) উত্তর দারফুর অঙ্গরাজ্যের গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

সংগঠনটি জানায়, স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে আদালতের কার্যক্রম চলাকালে ড্রোন হামলা চালানো হয়। ওই সময় স্থানীয় বিভিন্ন বিরোধ ও মামলার শুনানিতে অংশ নিতে বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষ সেখানে জড়ো হয়েছিলেন।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া গ্রামটি বর্তমানে আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ইমার্জেন্সি লইয়ার্সের দাবি, হামলায় আদালত ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় ও গোত্রীয় বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এই আদালত দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, আদালতের কার্যক্রম একটি গাছের নিচে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল এবং সেখানে স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। নিহতদের মধ্যে চারজন গোত্রপ্রধান এবং আরএসএফের দুই কমান্ডারও রয়েছেন বলে তিনি জানান।

গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামটি দারফুরের রাজধানী এল-ফাশের থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে কাবকাবিয়া শহরের কাছে অবস্থিত। গত বছরের অক্টোবরে দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী অভিযানের পর এল-ফাশের দখল করে নেয় আরএসএফ। শহরটি ছিল দারফুরে সুদানি সেনাবাহিনীর শেষ বড় ঘাঁটি।

জাতিসংঘের তদন্তকারীরা এর আগে জানিয়েছিলেন, এল-ফাশের অবরোধ ও দখলকে ঘিরে সংঘটিত সহিংসতায় গণহত্যার সুস্পষ্ট লক্ষণ দেখা গেছে।

২০০০-এর দশকের শুরুতে দারফুরে ভয়াবহ নৃশংসতার অভিযোগে অভিযুক্ত সরকার-সমর্থিত জাঞ্জাওয়িদ মিলিশিয়া থেকেই আরএসএফের উৎপত্তি। এল-ফাশের দখলের পর বাহিনীটি দারফুরের অধিকাংশ অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করেছে।

২০২৩ সালের এপ্রিলে আরএসএফ প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালো (হেমেদতি) এবং তার সাবেক মিত্র সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের মধ্যে ক্ষমতার সংঘাত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়। এরপর থেকে চলা সংঘাতে কয়েক দশক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাতের দুই পক্ষই ক্রমবর্ধমানভাবে ড্রোন ব্যবহার করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই ড্রোন হামলায় এক হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।

এদিকে দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতে লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। জাতিসংঘ একে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট হিসেবে বর্ণনা করছে।

সূত্র : দ্য নিউআরব

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews