
৩৫ বছর বয়সী এই উইকেটকিপার-ব্যাটার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ছয়টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের অংশ ছিলেন। দীর্ঘদিনের অধিনায়ক মেগ ল্যানিং ২০২৩ সালের শেষ দিকে অবসর নেওয়ার পর দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব নেন হিলি।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হিলি বলেন, ‘মিশ্র অনুভূতি নিয়ে জানাচ্ছি, ভারতের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজটাই হবে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আমার শেষ সিরিজ।’
তিনি আরও বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে এখনো আমি ভীষণ আগ্রহী, কিন্তু শুরু থেকে যে প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা আমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে, সেটা কিছুটা হারিয়ে ফেলেছি। তাই মনে হচ্ছে এখনই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়।’
‘সতীর্থদের সঙ্গে সময় কাটানো, দলীয় সংগীত গাওয়া আর অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে মাঠে নামার মুহূর্তগুলোকে আমি সত্যিই খুব মিস করব।’
২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেক হওয়া হিলি ওয়ানডে ক্রিকেটে ৩,৫৬৩ রান করেন, যার মধ্যে রয়েছে সাতটি সেঞ্চুরি। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি করেন ৩,০৫৪ রান, এক সেঞ্চুরিসহ। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে তিনি মোট ২৭৫টি ডিসমিসাল সম্পন্ন করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে নিজের অবস্থান দিয়ে হিলি প্রমাণ করেছেন, তিনি কেবল কিংবদন্তি উইকেটকিপার ইয়ান হিলির ভাতিজি কিংবা টেস্ট পেসার স্বামী মিচেল স্টার্কের পরিচয়ে সীমাবদ্ধ নন।
এর আগেই টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন হিলি। আগামী ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ভারতের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট খেলেই অস্ট্রেলিয়ার হয়ে শেষবার মাঠে নামবেন তিনি।
হিলির ক্যারিয়ারে নারী ক্রিকেট ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে অভিষেকের পর অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মাত্র দুটি টেস্ট মিস করলেও, তার শেষ ম্যাচটি হবে ক্যারিয়ারের মাত্র ১১তম টেস্ট।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।