
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে উত্তেজোনা বিরাজ করছে এবং সড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করছে স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এমন পরিস্থিতিতে জনরোষের শিকার হয়েছেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ। তবে সেনাবাহিনীর দাবি, ডাবলুর কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাজান কবির বলেন, ‘রাত ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ডাবলুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসি থেকে তাকে সেনা হেফাজতে তুলে নেওয়া হয়। রাত প্রায় ১টার দিকে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। আমরা এর সঠিক তদন্ত চাই।’
নিহত ডাবলুর ভাই জীবননগর উপজেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।’
এদিকে বিক্ষুপ্ত জনতাকে শান্ত করতে এবং শহরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু, সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন ও পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুল ইসলাম।
এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে তাদের দাবি, ডাবলুর কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, ‘আমরা আইন হাতে তুলে নেব না। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব। বিএনপির পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, ‘মৃত্যুর ঘটনায় ময়নাতদন্ত করা হবে। যারা ঘটনার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীর এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সেনা প্রধানের হস্তক্ষেপ কমনা করেছেন।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।