
সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক রহমান ভোটার হয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে আখতার আহমেদ বলেন, “না, আমার জানা মতে ভোটার হননি। কমিশন সিদ্ধান্ত দিলে নিবন্ধন করতে পারেন, প্রার্থী হতে পারেন। আইনগতভাবে কমিশনের এই এখতিয়ার রয়েছে।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ১৮ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যারা ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন, কেবল তারাই আগামী সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
তবে এর পরও যেকোনো ব্যক্তিকে নিবন্ধন করে ভোট দেওয়া বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ ইসি দিতে পারে বলে জানান সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন যেকোনো ব্যক্তিকে যেকোনো সময় ভোটার তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “ভোটের আগে ভোটারের নাম, বাবা-মায়ের নাম, বয়স, ঠিকানা, ছবিসহ সাত ধরনের তথ্য সংশোধন করা যাবে না। তবে মোবাইল ফোন নম্বরসহ কিছু তথ্য সংশোধনীতে কোনো বাধা থাকবে না।”
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, প্রবাসীদের ভোটারদের নিবন্ধনের সময়সীমা এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ২৫ ডিসেম্বর ঠিক করা হয়েছে।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এবার পৌনে ১৩ কোটি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছে। গত ১৮ নভেম্বর চূড়ান্ত করা এ তালিকা মুদ্রণের প্রস্তুতি চলছে।
২০০৭-২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। ২০০৮ সালে কারামুক্তির পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তারেক রহমান লন্ডনে যান। এরপর আর দেশে ফিরতে না পারায় তিনি ভোটার তালিকায় নাম লেখাতে পারেননি।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানে দেশে এসে ভোটার তালিকায় নাম লেখান।
তারেক রহমানের মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টের ঠিকানায় ভোটার হন।
সূত্র: বিডিনিউজ।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।