
নিজস্ব প্রতিবেদক // বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পরও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাগাইল এমবোলোর লাল কার্ড। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভিএআরের হস্তক্ষেপে রেফারির সিদ্ধান্ত বদলে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ সুইজারল্যান্ড শিবির।
ম্যাচের ৭২তম মিনিটে ঘটনাটির শুরু হয়। প্রথমে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লেয়ান্দ্রো পারেদেসকে ফাউলের জন্য হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। পরে ভিডিও সহকারী রেফারির পরামর্শে মাঠের পাশের মনিটরে রিপ্লে দেখে তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন।
রেফারি মনে করেন, বাগাইল এমবোলো ইচ্ছাকৃতভাবে ডাইভ দিয়েছেন। ফলে পারেদেসের পরিবর্তে এমবোলোকেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পাওয়ায় ২৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে মাঠ ছাড়তে হয়।
ম্যাচ শেষে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সুইজারল্যান্ডের মিডফিল্ডার রোমো ফ্রয়লা।
তিনি বলেন, “আমি দলকে নিয়ে খুব গর্বিত। আপনি বলতে পারবেন না যে, আমরা শতভাগ দেইনি। আমি বুঝতে পারছি না, ভিএআর কীভাবে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এটা ফিফার আমাদেরকে ব্যাখ্যা করতে হবে।”
লাল কার্ড দেখানোর পর এমবোলো প্রথমে তীব্র প্রতিবাদ জানান। পরে কান্নায় ভেঙে পড়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। মাঠ ছাড়ার আগে সতীর্থরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
সুইজারল্যান্ডের প্রধান কোচ মুরাত ইয়াকিনও এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সে অনেকবার ফাউলের শিকার হয়েছিল। ম্যাচে তার দারুণ কিছু মুহূর্তও এসেছিল। এরপর দলকে আর সে সাহায্য করতে পারল না। আমি তাকে দোষ দিচ্ছি না। অবশ্যই সে ভেঙে পড়েছে, কারণ সে দলকে সাহায্য করতে পারেনি। এটা রেফারিদের ভুল।”
বিতর্কিত এই সিদ্ধান্তের পর ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া সুইজারল্যান্ড দীর্ঘ সময় আর্জেন্টিনাকে আটকে রাখলেও অতিরিক্ত সময়ে দুটি গোল হজম করে ৩-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।