
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিতের বন্দর থানায় বদলির খবরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ ও হতাশা দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে। কাউনিয়া থানায় দায়িত্ব পালনকালে মাদকবিরোধী তৎপরতা জোরদার এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনবান্ধব আচরণের কারণে তিনি স্থানীয়দের একটি অংশের প্রশংসা পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাউনিয়া থানায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ওসি সনজিত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। তাঁর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তৎপরতা বাড়ানো হয়েছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। এতে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে চাপ তৈরি হয় বলেও জানান কয়েকজন বাসিন্দা।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, থানায় বিভিন্ন প্রয়োজনে আসা সাধারণ মানুষের কথা ওসি সনজিত মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। বিশেষ করে অসহায় ও দরিদ্র মানুষ থানায় কোনো সমস্যা নিয়ে গেলে তাঁদের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনা এবং আইনগতভাবে সহযোগিতা করার চেষ্টা করতেন বলে জানান তাঁরা।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “ওসি সনজিতের সময়ে থানায় সাধারণ মানুষ অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্যে নিজেদের সমস্যার কথা বলতে পারতেন। মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থানও আমরা ইতিবাচকভাবে দেখেছি।”
আরেক বাসিন্দা বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের ভালো সম্পর্ক তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ। ওসি সনজিতের আচরণে আমরা সেটির প্রতিফলন দেখেছি।”
স্থানীয়দের দাবি, তাঁর বদলির ফলে কাউনিয়া থানার মাদকবিরোধী কার্যক্রম ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা। একই সঙ্গে জনবান্ধব ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।