স্টাফ রিপোর্টার।। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের বাদলপাড়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একই পরিবারের পাঁচজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১ জুন) রাতে এবং মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে মৌলভীরহাট হিজলতলা এলাকার বেলায়েত হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— মো. হৃদয় শিকদার, মো. ইমরান, মো. ইরফান, টিপু ও খোকন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে ইমরানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
আহত হৃদয় শিকদার জানান, গত ১ জুন রাতে তার বউয়ের খালাতো বোন ফাতেমার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে মিষ্টি খাওয়াকে কেন্দ্র করে মিম নামের এক তরুণীর সঙ্গে সামান্য দুষ্টুমি-ফাজলামি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিমের ভাই রাকিব, রাজিব এবং তাদের বাবা শাহ আলম হৃদয় শিকদার ও তার এক বন্ধুকে মারধর করেন। পরে স্থানীয় লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরদিন ২ জুন বিকেলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি সালিশ-মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ফাতেমার বরযাত্রী বিদায় করার পর হৃদয় শিকদার তার শ্বশুর ও শ্যালকদের নিয়ে শাহ আলমের বাড়িতে সালিশের উদ্দেশ্যে গেলে শাহ আলম ও তার সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, শাহ আলম, রাকিব, রাজিব, কাদের, রেক্সোনা, মিমসহ আরও ৩/৪ জন দেশীয় অস্ত্র, গাছ কাটার দা, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর প্রতিপক্ষ তাদের ফাঁসাতে বাকেরগঞ্জ থানায় ডাকাতির একটি মামলা দায়ের করেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে আহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।