প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১২:৫০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ৫:৩০ পি.এম
চলতি মাসে হামের রোগী বেড়েছে দ্বিগুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক // হাম ও উপসর্গে প্রতিদিনই অসংখ্য শিশু হাসপাতালে ভর্তি হলেও নিশ্চিত হাম শনাক্ত হচ্ছে খুবই কম। দেশে একটি মাত্র ল্যাবে হামের নমুনা পরীক্ষা হওয়ায় সম্ভব হচ্ছে না শনাক্ত নিশ্চিত হওয়া। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরীক্ষার সংখ্যা বাড়লে বাড়বে শনাক্তের সংখ্যাও। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে পরীক্ষার প্রায় ৩৫ শতাংশই পজিটিভ পাওয়া গেছে আর এপ্রিলে সেটি হয় দ্বিগুণ। আর চিকিৎসকরাও কেবল উপসর্গ সন্দেহ করেই চিকিৎসা দিচ্ছেন।
গত দেড় মাসে আড়াইশোর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে হাম ও এর উপসর্গে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সংক্রান্ত প্রতিবেদন বলছে এর মধ্যে নিশ্চিত হাম মাত্র ৪৭ জন।
অধিদফতরের হিসেবে, সন্দেহজনক রোগীর চিত্রও একই। প্রায় ৩৫ হাজার সন্দেহজনক রোগীর মধ্যে নিশ্চিত হাম প্রায় ৫ হাজার।
হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ শিশুরই হয়নি নমুনা পরীক্ষা। কেবল, জ্বর, ডায়ারিয়া ও র্যাশের মত উপসর্গ দেখে হাম সন্দেহে চলছে চিকিৎসা।
ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ডা. আসিফ হায়দার বলেন, হামের উপসর্গ দেখা দিলেই তারা সন্দেহজনক হাম ধরেই চিকিৎসা দিচ্ছেন। পরবর্তীতে পরীক্ষায় অন্যান্য জটিলতা থাকলে চিকিৎসা করছেন সেসবের।
এদিকে, দেশে শুধু রাজধানীর মহাখালীর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের জাতীয় পোলিও এবং হাম রুবেলা ল্যাবরেটরিতে হামের পরীক্ষা হয়। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে এ ল্যাবে পরীক্ষা হওয়া প্রায়ই ৩৫ শতাংশ নমুনাই পজিটিভ এসেছে। আর এপ্রিলে এ সংখ্যা হয়ে যায় দ্বিগুণ।
হামের নমুনা পরীক্ষার পরিধি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসার বিকেন্দ্রীকরণ করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।
Copyright © 2024 Banglarkonthosor 24.com. All rights reserved.