
নলছিটি থানার ওসি আতাউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি আতাউর রহমান জানান, ওই যুবতী মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। সে তার মায়ের সঙ্গে নিজেদের বাড়িতে বসবাস করতেন। বুধবার ভোরে ঘুম থেকে জেগে স্মৃতিকে ঘরে দেখতে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেন তার মা। পরে বেলা ১১টার দিকে মাঠে গরু চড়াতে গিয়ে এক যুবক ওই যুবতীর মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের খবর দেয়। এরপর স্থানীয়রা থানায় খবর পাঠালে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
নিহতের ছোট বোন মুক্তা আক্তার বলেন, ‘আমরা ঈদের আগে কয়েকটি স্বর্ণের অলংকার ক্রয় করি। সেগুলো পাচ্ছি না। সকালে আমাদের বসতঘরের কয়েকটি বৈদ্যুতিক বাতিও ভাঙা পাওয়া যায়।’
মুক্তা আরও বলেন, ‘আমার বোনের মানসিক সমস্যা থাকলেও সে সবকিছুই বুঝতে পারতো।’
ওসি জানান, মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।