
বর্নিতা রায় বলেন, ‘আমি গাড়ির ট্যাংক ভর্তি করে নেই ১৫০০ টাকায়, আপনারা কেন ১০০ টাকা বেশি নিলেন।’ এই কথা বলতেই পাম্পের কর্মচারীরা নারীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ‘কম যদি দিয়েছি-কি করার আছে করেন এবং সাফ বলে দেন, এই পাম্পে আপনারা কোনদিনও তেল নিতে আসবেন না।’
এরই প্রতিবাদে বর্নিতার সহপাঠি স্বপ্নাসহ পাম্পে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করেন। পাম্পে দায়িত্বরত ট্যাগ কর্মকর্তা নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহকে ফোনে জানান। পরে ইউএনও পাম্পে এসে বিস্তারিত ঘটনা শোনেন এবং তেল পুনরায় পরিমাপ করতে বলেন। জনসম্মুখে তেল পরিমাপ করার পর প্রায় এক লিটার তেল কম পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী বর্নিতা রায় জানান, ১৫০০ টাকার তেলে ট্যাংক ভর্তি হলেও আমার কাছে ১৬০০ টাকা নেন। আমার কাছে একশত টাকা বেশি নিয়েছে। ইউএনও আসার পর তেল পরিমাপ করলে প্রায় এক লিটার তেল আমাকে কম দিয়েছে সেটা প্রমাণ মিলে। তেল কম দেওয়ার বিষয়ে আমি এবং আমার সহপাঠি প্রতিবাদ করলে পাম্পের কর্মচারীরা আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।
স্থানীয় ব্যক্তি মনাই, মিলন ও রতন বলেন, ‘দুই নারীর প্রতিবাদকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। তাদেরকে তেল কম দিয়েছে বলে তারা পাম্পে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছেন, তাদের প্রতিবাদ করা যুক্তিসঙ্গত, আমরা সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ইউএনও মহোদয় এসে তেল পুনরায় পরিমাপ করলে সেখানে প্রায় এক লিটার তেল কম পাওয়ার প্রমাণ মিলে।’
এ বিষয়ে ইউএনও মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে তেল পরিমাপ করা হয়েছে। পাম্প কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়। পরবর্তীতে আর কোনোদিন তেল কমের অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।