নিজস্ব প্রতিবেদক।।
বরিশালের নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি এবং স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১১টায় বরিশাল নগরীর সদর রোডে অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে ‘আব্দুর রহমান বিশ্বাস স্মৃতি পরিষদ’- এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল সদর উপজেলা, জেলার হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, মুলাদী, বাবুগঞ্জ উপজেলায় অব্যাহত নদী ভাঙনে অনেক পরিবার বসতবাড়ি হারিয়েছে। টেকসই নদীরক্ষা বাঁধের দাবি জানিয়ে আসছেন নদী তীরের মানুষেরা। এর অংশ হিসেবে শনিবার বরিশাল নগরীতে মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
নদী ভাঙন রোধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান বরিশালবাসী
বিসিএসে হ্যাটট্রিক বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসানের
আব্দুর রহমান বিশ্বাস স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. আমিনুল হকের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অংশ নেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহসহ বিভিন্ন সদর উপজেলার চরবাড়িয়া, চন্দ্রমোহন, চরমোনাই ও শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত শত শত মানুষ।
মানববন্ধনে সঞ্চালনা করেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস স্মৃতি পরিষদের সদস্য সচিব ইলিয়াছ আহমাদ। এসময় অংশগ্রহণকারীরা নদী ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
বিএনপি নেতা আবু নাসের রহমাতুল্লাহ বলেন, বরিশালের নদী ভাঙন একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রতিবছর নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে অসংখ্য বসতভিটা, কৃষিজমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ফলে হাজারো মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
এসময় নদী ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ জরুরি ভিত্তিতে কার্যকরী প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের জরুরি উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদৃষ্টির দাবিও জানান রহমাতুল্লাহ।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আ. সালাম রাঢ়ী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন টিটু, চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ইসরাইল পণ্ডিত, শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হেমায়েত হোসেন মুরাদ, কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. জাহাঙ্গীর, টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ আল মামুন।
মানববন্ধন শেষে নগরীতে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।