
নিহত যুবকের নাম মামুন মিয়া (২৫)। তিনি একই এলাকার আব্দুল আউয়ালের ছেলে ও কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। গত ১৫ দিন আগে ছুটিতে দেশে আসেন তিনি।
নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই নিলক্ষার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রয়াত শহিদ মেম্বার ও ফেলু মিয়া পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। সোমবার সকালে স্থানীয় বাজারে ফেলু মিয়ার মেয়ের জামাতা কুয়েত ফেরত (নিহত মামুন মিয়ার) সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ায় প্রতিপক্ষের লোকজনেরা। এ সময় সংঘর্ষে জড়ালে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মামুনসহ কয়েকজন আহত হন। পরে আহতদের মধ্যে তিনজনকে উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত নিহত মামুনের বাবা আউয়াল মিয়া (৫৫) এবং পরশ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। একজন নিহত হয়েছে শুনেছি। পুরোপুরি তথ্য সংগ্রহ করে বিস্তারিত জানানো হবে।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।