
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘হঠাৎ করে একটা বিপদ এসে গেছে- দুর্যোগ। ইরান, আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধ সমগ্র বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। আমাদের বাংলাদেশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে, তাই না? আমি আসতে আসতে দেখলাম পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। এটা একটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। কিন্তু এই সমস্যাটা তেল কমের জন্য নয়, সরবরাহ কমের জন্য নয়, এই সমস্যাটা কিছুটা হচ্ছে তৈরি করা।’
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে কিছু মানুষ এখানে তেল নিয়ে একটা অনৈতিক ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে। যে ব্যবসাটা আমাদের জন্য, দেশের জন্য, জাতির জন্য ক্ষতিকর। পাম্প থেকে তেল নিয়ে তারা কালোবাজারে বিক্রি করছে। এটা করতে দেওয়া যাবে না। আমি ডিসি সাহেবকে বলে দিয়েছি, এটার দিকে নজর দিতে হবে। নজরদারি করতে হবে এবং কেউ যেন কোনোভাবে দুর্নীতি করে এইভাবে তেল বিক্রি করে ফায়দা নিতে না পারে, এজন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।’
দেশের উন্নয়নে বিএনপি সরকার কাজ শুরু করেছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের জন্য নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাচ্ছে এবং নতুন করে বাংলাদেশকে গড়ে তুলবার চেষ্টা করছেন।’
তিনি বলেন, ‘কৃষকরা যাতে পানি সরবরাহ সঠিক ভাবে পায় সেজন্য ইতিমধ্যে খালখনন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে এবং কাজ চলমান রয়েছে। কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যায্যা মূল্য পায় সেজন্য সরকার কাজ করছে। বিএনপি সরকার মানুষের ভাগ্য বদলের জন্য কাজ করছে।’
অনুষ্ঠানে ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৭১০টি পরিবারের মাঝে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন ও নগদ ৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য ২৯৪টি প্রকল্পের মাধ্যমে ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
এ সময় ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।