এই প্ল্যান্টটি দীর্ঘদিন ধরে আংশিক অকার্যকর থাকায় নগরীর অনেক পরিবারকে নির্ভর করতে হয়েছে বিকল্প পানির উৎসের ওপর। অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে পানি সংগ্রহ করেছেন, কেউবা অতিরিক্ত খরচ করে কিনেছেন বোতলজাত পানি। ফলে পানির সংকট শুধু একটি অবকাঠামোগত সমস্যা ছিল না, এটি হয়ে উঠেছিল মানুষের নিত্যদিনের কষ্টের অংশ।
সম্প্রতি প্ল্যান্টটিতে ব্যাপক মেরামত, যন্ত্রপাতি পরিবর্তন এবং আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে এটিকে পুরোপুরি সচল করা হয়েছে। এখন এটি প্রতিদিন প্রায় ১৬ মিলিয়ন লিটার পানি শোধন করে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতে পারবে। যা হাজারো পরিবারের জীবনে স্বস্তি বয়ে আনবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, এই উদ্যোগ শুধু একটি প্রকল্প চালু করা নয়, বরং নগরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা মানে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সময় সাশ্রয় এবং মানসিক স্বস্তি নিশ্চিত করা।
বিসিসি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, নিরাপদ পানি সরবরাহ করা আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই প্ল্যান্ট চালুর মাধ্যমে মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই ইতোমধ্যে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। তারা মনে করছেন, নিয়মিত পানি সরবরাহ নিশ্চিত হলে দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর থেকে কমবে অতিরিক্ত চাপ।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হওয়া এই পানি শোধনাগার শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি এখন নগরবাসীর স্বস্তি, আশা আর নতুন করে বেঁচে থাকার এক প্রতীক বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির, পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
