
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ সোহেল হোসেনকে ঘিরে বিপুল সম্পদের মালিকানা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, ১০ম গ্রেডের এই সরকারি কর্মকর্তার নামে ও বেনামে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিপুল মূল্যের জমি, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও বহুতল ভবন রয়েছে। তবে এসব সম্পদ কীভাবে অর্জিত হয়েছে, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময়ে কর্মরত অবস্থায় টিআর, কাবিখা, কাবিটা ও জলবায়ু তহবিলের প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম এবং সরকারি অর্থের অপব্যবহার হয়েছে। এছাড়া বদলি, সম্পদ অর্জন এবং ভবন নির্মাণ নিয়েও নানা অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই বা আদালতের রায় এই প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
এদিকে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে মোহাম্মদ সোহেল হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তিনি বক্তব্য দিলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
সুশাসন নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা বলছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার সম্পদ ও আয়ের মধ্যে অসামঞ্জস্যের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া উচিত। অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দায়মুক্ত করার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের দাবি, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য জনসমক্ষে তুলে ধরা হোক।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।