
এই বিলটি পাশ হলে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল বা ইউরেনিয়াম কেনা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হবে বলে মনে করছে হোয়াইট হাউজ।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা রিপাবলিকান পার্টির সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, এই বিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চীন, ভারত ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোকে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের সুযোগ তৈরি করে দেবে; যাতে তারা রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করে—যে তেল ইউক্রেনের বিরুদ্ধে পুতিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অর্থ জোগাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী সপ্তাহেই বিলটি নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে। তিনি মনে করেন, ইউক্রেন যখন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে, তখন পুতিনকে দমাতে এই বিল সঠিক সময়েই আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা তরে চীন ও ভারত রাশিয়ার তেলের বড় ক্রেতা হিসেবেই রয়ে গেছে। জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে রাশিয়ার মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় অর্ধেক কিনেছে চীন, আর ভারতের কিনেছে প্রায় ৩৮ শতাংশ। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে কমালেও ব্রাজিল এখসও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।