মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধি।।
মেহেন্দিগঞ্জে অস্ত্রের মুখে বসতবাড়িতে ঢুকে পরিবার সদস্যদের জিন্মি করে স্বর্ণালংকার লুটে নিয়ে গৃহকর্ত্রীর পেটে ছুরি ঢুকিয়ে পালিয়ে যাওয়া সেই দুর্ধর্ষ চোর গ্রেফতার হয়েছে। তাকে আজ দুপুরে পৌরসভার অম্বিকাপুর ওয়ার্ড থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান পুলিশ। তার বাড়িতে তল্লাশি করে পুলিশ একাধিক ছুরি জব্দ করেন। গ্রেফতারকৃত চোর হলেন অম্বিকাপুর ওয়ার্ডের বাদল পালোয়ান এর ছেলে মোঃ আলী পালোয়ান। তার বিরুদ্ধে মেহেন্দিগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন আহতের পরিবার। তাকে চিহ্নিত করেন আহতের মেয়ে, ঘটনার দিন ওই মেয়ে তার মায়ের উপর হামলা করে পালিয়ে যেতে দেখেছেন বলে জানান। এছাড়াও ভুক্তভোগী আর চোরের বাড়িও পাশাপাশি। উল্লেখ গত শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের অম্বিকাপুর এলাকায় নায়েব বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আব্দুল খালেক নায়েব এর স্ত্রী কুলসুম বেগম (৫৫) এর গলার এবং কানের স্বর্ণ ছিনিয়ে নেয় চোর মোঃ আলী। বাঁধা দিতে চাইলে তার পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় সে। আহত নারী ওই ওয়ার্ডের আব্দুল খালেক নায়েব এর স্ত্রী। পরিবারের সদস্য কবির নায়েব জানান শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে তার মা কুলছুম বেগম ঘরের টয়লেট এর দরজা খোলার সাথে সাথে চোরকে দেখতে পায়। মুহুর্তে তার মা (কুলছুম বেগম) এর গলার চেইন এবং কানের স্বর্ণ ছিনিয়ে নেয় চোর। এ সময় বাঁধা দিলে পেটে ছুরি ঢুকিয়ে পালিয়ে যায় সে। তার মা মুমুর্ষ অবস্থা থাকায় চোরের নাম বলতে পারে নি। থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে বলে জানান আহতের পরিবার। সংবাদ পেয়ে ওই রাতেই মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আহত নারীকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার নারীর পেটের ছুরি বের করা ঝুঁকিপুর্ণ মনে করে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত বরিশাল শেবাচিমে প্রেরণ করেন। পরে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে দীর্ঘ সময়ে তার অপারেশন করে ছুরি বের করা হয়। তিনি এখনও আশংকাজনক অবস্থায় রয়েছেন বলে পরিবার জানান।