
আজ সোমবার সকালে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা যান ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির দুর্ঘটনাস্থলে ‘কোনও জীবিত ব্যক্তি’ পাওয়া যায়নি। বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি পুড়ে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তার সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আবদুল্লাহিয়ানও ছিলেন। ঘন কুয়াশার মধ্যে হেলিকপ্টারটি পার্বত্যাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিবলেছেন, ‘ইরানের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত এবং মর্মাহত। আমরা এই দুঃসময়ে ইরানি জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি।’
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বলেন, প্রেসিডেন্ট রাইসির মৃত্যুতে তিনি ‘গভীরভাবে শোকাহত’ ইরান এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, রাইসি ভেনিজুয়েলার ‘নিঃশর্ত বন্ধু’ ছিলেন।
মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মাদ শিয়া আল-সুদানি। এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিমান দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তাদের সঙ্গীদের মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তার সরকার ও জনগণের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা ও সহানুভূতি প্রকাশ করছি।’
ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সংহতি জানিয়েছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস।
সম্পাদক : মো: রাকিবুল হাছান(ফয়সাল)।