Home » জাতীয় » ক্ষমার বিষয়টি যাচাই করতে এলেন সাকা পরিবার

ক্ষমার বিষয়টি যাচাই করতে এলেন সাকা পরিবার

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতির জন্য পুনরায় কেন্দ্রীয় কারাগারে এসেছেন সাকা পরিবারের সদস্যরা।

সন্ধ্যা পৌনে ৫টার দিকে বোনজামাই জাফর খানকে সঙ্গে নিয়ে প্রথম দফায় আসেন সাকার বড় ছেলে ফাইয়াজ কাদের চৌধুরী। তিনি কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাছে তারা বাবার সঙ্গে অনুমতির আবেদন জানান। অনুমতি না পেয়ে কারা ফটকের বাইরে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন।

এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মিডিয়া মারফত খবর পেলাম আব্বা (সাকা চৌধুরী) রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা ছেয়েছেন। আমরা এসেছি আব্বার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের জন্য। কারণ তিনি এর আগে আমাদের বলেছিলেন আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি তার সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ফাইয়াজ বলেন, আপনারা আমার আব্বাকে চেনেন। এটা (ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টা) আপনারা বিশ্বাস করেন?

এদিকে সোয়া ৫টার দিকে একটি সাদা টয়োটা গাড়িতে করে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে কারা ফটকের সমানে আসেন সাকার ছোট ছেলে হুম্মাম কাদের। তারাও সাকা চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি লাভের চেষ্টা করেন। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ তাদের ফিরিয়ে দেয়। সাক্ষাতের অনুমতি না পেয়ে গাড়িতে করে ফের ফিরে যায় হুম্মাম, তার মা বোন। এসময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, অনুমতি পায়নি তাই ফিরে যাচ্ছি।

সাকা চৌধুরীরর সঙ্গে ছোট ছেলে হুম্মাম, স্ত্রী ও মেয়ে দেখা না করতে না পেরে ফিরে গেলেও কারা ফটকে রয়ে গেছেন বড় ছেলে ফাইয়াজ কাদের চৌধুরী ও মেয়ে জামাই জাফর খান। তারা সাক্ষাতের অনুমতি পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ওরফে সাকা চৌধুরী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ নিজেদের অপরাধের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন আজ।

এরমধ্যে দিয়ে কার্যত তারা নিজেদের অপরাধের দায় স্বীকার করে নিলেন; যদিও বিচারকালে তারা বলে আসছিলেন এই প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগে সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা নেই।

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 79 - Today Page Visits: 2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*