Home » রাজনীতি » আত্মসমপর্ণের পর আব্বাস কারাগারে

আত্মসমপর্ণের পর আব্বাস কারাগারে

বাংলার কন্ঠস্বর প্রতিবেদক : পল্টন ও মতিঝিলে নাশকতার দুই মামলা এবং শাহবাগে দুদকের দায়ের করা ‍দুর্নীতি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর হাকিম মাহবুবুর রহমানের আদালতে বুধবার সকাল ১১টায় পল্টন ও মতিঝিলে দায়ের করা দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে আইনজীবী এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মেজবার মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন মির্জা আব্বাস।

এ ছাড়া, দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ-৪ এর বিচারক আমিনুল হকের আদালতে উপস্থিত হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় জামিন আবেদন করেন আব্বাস।

জামিনের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মির্জা আব্বাস আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ এবং মামলায় পলাতক ছিলেন না। তাই সবদিক বিবেচনা করে তাকে জামিন দেওয়া হোক।

অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু আব্বাসের জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, মির্জা আব্বাসকে জামিন দিতে রাষ্ট্রপক্ষের আপত্তি রয়েছে। তিনি মামলায় পলাতক রয়েছেন। তাই মামলার সুবিচারের জন্য তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হোক।

উভয় আদালত শুনানি শেষে মির্জা আব্বাসের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, পল্টন ও মতিঝিলের দুই মামলা তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে। দুই মামলায় মির্জা আব্বাস তিন নম্বর আসামি। পল্টন থানার মামলায় ২৫ জানুয়ারি এবং মতিঝিল থানার মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের জন্য ৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য রয়েছে।

পল্টন থানার মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর বিএনপির ডাকা হরতাল বাস্তবায়ন করার জন্য বিএনপির ও জামায়াতের ২০ থেকে ২৫ জন কর্মী রাজধানীর পল্টন মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন। অগ্নিসংযোগের এক পর্যায়ে পরপর দুইটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনায় পল্টন থানার এএসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার পেনাল কোড ও বিস্ফোরক দ্রবো আইনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাসসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মতিঝিল থানার মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপির কর্মসুচি বাস্তবায়ন করার জন্য আগের দিন ৪ জানুয়ারি মতিঝিল থানাধীন এজিবি কলোনীস্থ বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সমনে বিএনপি-জামায়াতে ৩০ থেকে ৩৫ কর্মী একটি প্রাইভেট কারকে লক্ষ্য করে অগ্নিসংযোগ ও পরপর দুইটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।

এ ঘটনায় মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সুমন চন্দ্র নাথ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া ও মির্জা আব্বাসসহ ৮১ জনের বিরুদ্ধে পেনাল কোড ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন।

 

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 159 - Today Page Visits: 2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*