Home » বরিশাল » রঙ্গলীলার মহাস্থানগড় বরিশাল নগরীর প্লানেট পার্ক ॥ টাকায় বুকিং বেপরোয়া সিকিউরিটি গার্ড

রঙ্গলীলার মহাস্থানগড় বরিশাল নগরীর প্লানেট পার্ক ॥ টাকায় বুকিং বেপরোয়া সিকিউরিটি গার্ড

রিপোর্ট নাছির উদ্দিন নাইমঃ দিন আর রাত নয়, অবাধ মেলামেশার এক নিরাপদ স্থান হিসেবে পরিনত হয়েছে নগরীর প্লানেট পার্ক। শিশুদের বিনোদনের জন্য নির্মিত পার্কটি এখন বিভিন্ন বয়সীদের অবাধ দৈহিক মেলামেশার স্পটে পরিনত হয়েছে।  সরেজমিনে গিয়ে এমনি কিছু দৃশ্য দেখা মেলে ঐ স্থানে। কথা হচ্ছিল টিকিট কেটে বেড়াতে এসে বিব্রতকর অবস্থায় পরে বের হয়ে যাওয়া নগরীর সৈকত ও রনজিৎ এর সাথে। তিনি অনেকটা অেভের সাথে বলেণ, ছুটির দিনের পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসেছিলঅম প্লানেট পার্কে । কিন্তু ভিতরে প্রেমিক-প্রেমিকা যুগলের অশ্লিল কর্মকান্ড দেখে বেশিন সেখানে অবস্থান করা যায়নি। বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা যায় প্লানেট পার্কের নিরাপত্তা প্রহরীরা টাকার বিনিময়ে এ ধরনের অসাজিক কার্যকলাপে সহযোগীতা করে থাকে। সাংবাদিকদের কোন উপস্থতি টের পেলে বাঁশির শব্দের মাধ্যমে যুগলদের সজাগ করা তাদের দায়িত্বের মধ্যে পরে মনে বলে হচ্ছে। এমনি সব তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে অনুসন্ধানে যায় দৈনিক আজকের বরিশালের টিম। প্রাপ্ত তথ্য এবং সরেজমিনে অনুসন্ধানে চলে আসে সাদৃশ্য রূপ। নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা কর্মীদের এক অবৈধ টাকার আয়ের উৎসের ত্রে পার্ক প্রাঙ্গন। তাদের ভিতরে বেপরোয়া কার্যকলাপে যেসব নিরাপত্তা কর্মীদের নাম উঠে এসেছে তাদের মধ্যে হাকিম, সুমন ও ফোরম্যান পলাশ এর নাম অন্যতম। পার্কের বাউন্ডারীর দেওয়াল টপকে স্থানীয় বখাটেদের অবাধ আনাগোনার দিকে দৃষ্টি না থাকলেও যুগলদের কাছ থেকে ১০০ থেকে ২০০টাকা পারিশ্রমিক হিসাবে উত্তোলনের সুদৃষ্টি রয়েছে। শুধু তাই নয় পার্কটি নগরীর চিহিৃত মাদক স্পট কেডিসি বস্তি সংলগ্ন হওয়ায় হাকিম সুমন ও পলাশ মাদকসেবি ও মাদক বিক্রেতাদের  সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে হরদমে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকছে। অপর একটি সূত্রে জানাযায় প্রেমিক যুগল ছাড়া সাধারণ পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের কাছ থেকেও বিভিন্ন আবদার ও অজুহাতে টাকা দাবী করে তারা। টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে নানা ধরনের আপত্তিকর ভাষা উচ্চারন করা হয় বলে জানা গেছে। স্থানীয় কিছু উঠতি বয়সী বখাটেদের নিয়ে নানা কৌশলে আপত্তিকর ছবি তুলে জিম্মি বানিজ্য চালায় বলেও একটি সূত্র জানায়। বড়দের পাশাপাশি ছোটরাও পড়েছে নানা বিপদে ছুটির দিনে বাবা-মার সাথে ঘুরতে এসে প্রেমিক-প্রেমিকাদের এসব কার্যকলাপ থেকে নানা প্রশ্ন করে ফেলে অভিভাবকদের বাঁচ্চাদের নিয়ে পার্ক থেকে বের হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকেনা। চিহিৃত ঐ সব নিরাপত্তাকর্মীদের এমন সব কর্মকান্ডের বিষয়ে পার্ক কর্তৃপরে দাবি ভিতরে কোন অসামাজিক কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হয়না। তারপরেও পার্কের কারো সহযোগিতায় যদি কোন অসামাজিক কার্যকলাপ চলে তাহলে তদন্ত পূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 132 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*