Home » রাজনীতি » “নিষ্ক্রিয়-পলাতক-চাটুকারেরা এখন সবচেয়ে সক্রিয়”

“নিষ্ক্রিয়-পলাতক-চাটুকারেরা এখন সবচেয়ে সক্রিয়”

বিএনপি’র বিগত আন্দোলন সংগ্রামে নিষ্ক্রিয়, পলাতক মুসায়েদ ও চাটুকারেরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার জন্য এখন সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। তারা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সামনে তাদের চেহারা দেখাতে ব্যস্ত। এরা কখনো দলের বন্ধু হতে পারে না। বরং এরা দলের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। এদের বিরুদ্ধে হাই এ্যান্টি-বায়োটিক দিতে হবে।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী যুবদল আয়োজিত এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এমন মন্তব্য করেছেন।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি’র এবারের কাউন্সিলের মধ্যে দিয়ে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। আশা করি, সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন শিকার করেও বিএনপি’র বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন, তারাই দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসবেন। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে সাধারণতঃ সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানই দলের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। খালেদা জিয়া দলের চেয়ারপারসন হিসেবে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। কিন্তু সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সক্রিয়ভাবে কোন দায়িত্বে দেখা যাচ্ছে না। যদিও দেশে ফেরার মতো পরিবেশ এখনো তৈরী হয়নি, তবুও সব দিক বিবেচনা করে দলের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে একটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেয়া হোক যেটা তিনি পালন করবেন। এতে দলের নেতা-কর্মীরা আরো উৎসাহিত হবেন।

গয়েশ্বর বলেন, খালেদা জিয়ার সামনে যারা প্রতিদিন তাদের চেয়ারা দেখাচ্ছেন, ধর্ণা দিচ্ছেন, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে তারা সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেননি। দলের জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে যারা সঠিক দায়িত্ব পালন করেছেন এবং করছেন, তারা নেতা-নেত্রীর সামনে গিয়ে চেহারা দেখানোর সময় পান না। আশা করি, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন, নতুন কমিটিতে নেত্রী তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন। কারণ বিএনপি’র এই কাউন্সিল নেতা বানানোর জায়গা না, এটা বর্তমান অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করার মঞ্চ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ সহ দলীয় নেতা-কর্মীরা।

বিএনপি’র বিগত আন্দোলন সংগ্রামে নিষ্ক্রিয়, পলাতক মুসায়েদ ও চাটুকারেরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার জন্য এখন সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। তারা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সামনে তাদের চেহারা দেখাতে ব্যস্ত। এরা কখনো দলের বন্ধু হতে পারে না। বরং এরা দলের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। এদের বিরুদ্ধে হাই এ্যান্টি-বায়োটিক দিতে হবে।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী যুবদল আয়োজিত এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এমন মন্তব্য করেছেন।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি’র এবারের কাউন্সিলের মধ্যে দিয়ে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। আশা করি, সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন শিকার করেও বিএনপি’র বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন, তারাই দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসবেন। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে সাধারণতঃ সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানই দলের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। খালেদা জিয়া দলের চেয়ারপারসন হিসেবে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। কিন্তু সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সক্রিয়ভাবে কোন দায়িত্বে দেখা যাচ্ছে না। যদিও দেশে ফেরার মতো পরিবেশ এখনো তৈরী হয়নি, তবুও সব দিক বিবেচনা করে দলের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে একটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেয়া হোক যেটা তিনি পালন করবেন। এতে দলের নেতা-কর্মীরা আরো উৎসাহিত হবেন।

গয়েশ্বর বলেন, খালেদা জিয়ার সামনে যারা প্রতিদিন তাদের চেয়ারা দেখাচ্ছেন, ধর্ণা দিচ্ছেন, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে তারা সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেননি। দলের জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে যারা সঠিক দায়িত্ব পালন করেছেন এবং করছেন, তারা নেতা-নেত্রীর সামনে গিয়ে চেহারা দেখানোর সময় পান না। আশা করি, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন, নতুন কমিটিতে নেত্রী তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন। কারণ বিএনপি’র এই কাউন্সিল নেতা বানানোর জায়গা না, এটা বর্তমান অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করার মঞ্চ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ সহ দলীয় নেতা-কর্মীরা।

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 44 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*