Home » সর্বশেষ সংবাদ » সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ঐতিহ্যবাহী কুস্তি খেলা

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ঐতিহ্যবাহী কুস্তি খেলা

জাকির হোসেন,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ::
আজ সোমবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সিরাজপুর বাবাগগাঁও পেঠনা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল শক্তিয়ার খলা ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং গ্রামের ঐতিহ্যবাহী কুস্তি খেলা। খেলায় বিজয়ী হয়  গৌরারং। ভাটি অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খেলা কুস্তি। দু’টি গ্রামের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলাটি এ অঞ্চলে খুবই জনপ্রিয়। গ্রামীণ জনপদের এ খেলাকে ঘিরে উৎসব শুরু হয় গ্রামে গ্রামে। গ্রামের মানুষের চিত্তবিনোদনেরও একটি মাধ্যম কুস্তি খেলা। খেলা উপভোগ করার জন্য হাজার হাজার দর্শক জড়ো হন। বসে বাহারি রকমের দোকানপাট। কুস্তি খেলার আয়োজক ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, সুনামগঞ্জ সদর, জামালগঞ্জ, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুর—এ ৫ উপজেলায় কুস্তি খেলার প্রচলন বেশি। বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। কুস্তিতে অংশ নেয়া খেলোয়াড়দের মাল (পালোয়ান) বলে ডাকা হয়। কুস্তিগীররা শক্তি ও কৌশলের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী খেলোয়াড়কে পরাজিত করে।

হাঁটু থেকে মাথা পর্যন্ত শরীরের কোনো অঙ্গ মাটিছোঁয়া হলেই খেলোয়াড়কে পরাজিত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিন পর্বের খেলায় প্রথমে প্রাথমিক মানের খেলোয়াড়, দ্বিতীয় পর্বে ছানি দাগা (২য় সেরা) এবং ৩য় পর্বে (মাল) খেলে থাকেন। মূলত এ খেলাটি দু’টি গ্রামের মধ্যে দাওয়াতি (প্রীতি) খেলা হয়। একটি গ্রামের লোকজন অপর গ্রামের খেলোয়াড়দের দাওয়াত করে নিয়ে আসে। ফিরতি পর্বে গ্রামটি অপর গ্রামে খেলতে যায়। শক্তিয়ার মাল কাজী শামসুল ইসলাম জানান, স্বাগতিক যে গ্রামে খেলা অনুষ্ঠিত হয় সেখানে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। নিমন্ত্রিত গ্রামের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কয়েক শতাধিক দর্শক একদিন আগে আসেন। তাদের আপ্যায়নের জন্য ৭/৮ টি গরু জবাই করা হয়। শত বছরের ঐতিহ্যে লালিত কুস্তি খেলা গ্রাম্য বিনোদনের চাহিদা মিটিয়ে গ্রামীণ সম্পীতি ও ঐতিহ্যকে লালন করছে। তাই ভাটি অঞ্চলের এ খেলাটি শুধু খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ভাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করেছে গ্রামে গ্রামে।

অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খেলা কুস্তি। দু’টি গ্রামের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলাটি এ অঞ্চলে খুবই জনপ্রিয়। গ্রামীণ জনপদের এ খেলাকে ঘিরে উৎসব শুরু হয় গ্রামে গ্রামে। গ্রামের মানুষের চিত্তবিনোদনেরও একটি মাধ্যম কুস্তি খেলা। খেলা উপভোগ করার জন্য হাজার হাজার দর্শক জড়ো হন। বসে বাহারি রকমের দোকানপাট। কুস্তি খেলার আয়োজক ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, সুনামগঞ্জ সদর, জামালগঞ্জ, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুর—এ ৫ উপজেলায় কুস্তি খেলার প্রচলন বেশি। বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। কুস্তিতে অংশ নেয়া খেলোয়াড়দের মাল (পালোয়ান) বলে ডাকা হয়। কুস্তিগীররা শক্তি ও কৌশলের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী খেলোয়াড়কে পরাজিত করে।

হাঁটু থেকে মাথা পর্যন্ত শরীরের কোনো অঙ্গ মাটিছোঁয়া হলেই খেলোয়াড়কে পরাজিত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিন পর্বের খেলায় প্রথমে প্রাথমিক মানের খেলোয়াড়, দ্বিতীয় পর্বে ছানি দাগা (২য় সেরা) এবং ৩য় পর্বে (মাল) খেলে থাকেন। মূলত এ খেলাটি দু’টি গ্রামের মধ্যে দাওয়াতি (প্রীতি) খেলা হয়। একটি গ্রামের লোকজন অপর গ্রামের খেলোয়াড়দের দাওয়াত করে নিয়ে আসে। ফিরতি পর্বে গ্রামটি অপর গ্রামে খেলতে যায়। শক্তিয়ার মাল কাজী শামসুল ইসলাম জানান, স্বাগতিক যে গ্রামে খেলা অনুষ্ঠিত হয় সেখানে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। নিমন্ত্রিত গ্রামের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কয়েক শতাধিক দর্শক একদিন আগে আসেন। তাদের আপ্যায়নের জন্য ৭/৮ টি গরু জবাই করা হয়। শত বছরের ঐতিহ্যে লালিত কুস্তি খেলা গ্রাম্য বিনোদনের চাহিদা মিটিয়ে গ্রামীণ সম্পীতি ও ঐতিহ্যকে লালন করছে। তাই ভাটি অঞ্চলের এ খেলাটি শুধু খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ভাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করেছে গ্রামে গ্রামে।

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 74 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*