Home » রাজনীতি » ‘যোগ্য সার্চ কমিটি গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি’

‘যোগ্য সার্চ কমিটি গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি’

ঢাকা: নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতি নিরপেক্ষ ও যোগ্য সার্চ কমিটি গঠন করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জিয়া পরিষদের প্রতিনিধি সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা ইতিবাচক রাজনীতি করি, নেতিবাচক রাজনীতি করি না। আমরা আশা রাষ্ট্রপতি একটি নিরপেক্ষ ও যোগ্য সার্চ কমিটি গঠন করবেন। এর মাধ্যমে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বেগম খালেদা জিয়া একটি ১৩ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছেন, কি করে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ করা যায়। বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তিনি এ প্রস্তাবনা দেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা পজিটিভ রাজনীতি করি, নেগেটিভ রাজনীতি করি না। তাই এখনও সার্চ কমিটি করেননি রাষ্ট্রপতি। আমরা প্রত্যাশা করব রাষ্ট্রপতি একটি নিরপেক্ষ ও যোগ্য সার্চ কমিটি গঠন করবেন এবং এর মাধ্যমে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন হবে।’

ফখরুল বলেন, এই সরকার ইতিমধ্যে বাংলাদেশের রাজনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। রাষ্ট্রের যে কাঠামো তা ধ্বংস করে দিয়েছে। কোনো কিছুই বাকি রাখে নাই। তারা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্ম্পূণভাবে দলীয় করণ করেছে। বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে এবং গণমাধ্যমের ওপর প্রচণ্ড নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে বলেই তাদের খুশি মতো গণমাধ্যমকে চলতে হয়। সত্যকথা প্রকাশ করতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, অনেকে জিয়াউর রহমানকে অখ্যাত বলে থাকেন আসলে তিনি অখ্যাত ছিলেন বলেই ১৬ কোটি মানুষের কাছে খ্যাত হয়ে আছেন। তাই যেখানে আওয়ামী লীগ ও তার নেতৃত্ব ব্যর্থ সেখানেই জিয়াউর রহমান সফল। আওয়ামী লীগ বিশেষ করে শেখ হাসিনার একটিই লক্ষ্যে আর তা হলো জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা। যা কখনো মুছে ফেলা সম্ভব নয়।

ফখরুল দাবি করেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্তাবের পরে রাষ্ট্রপতি সংলাপ শুরু করেছেন। এখনও তিনি সার্চ কমিটি করেননি। তবে আমরা আশা করব তিনি (রাষ্ট্রপতি) জনগণের মনের ভাষা বুঝে নিরপেক্ষ সার্চ কমিটি করবেন। সরকার জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু তা সম্ভব নয়। কারণ, তার নাম মানুষের মনে গেঁথে আছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) এক বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ফখরুল বলেন, ৫ জানুয়ারি একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন, ৫ ভাগ ভোটকে ৪০ ভাগ দেখানো, প্রথম দুই দফা উপজেলা নির্বাচনে ফলাফল সরকারের পক্ষে না যাওয়ায় পরের তিন দফায় কারচুপি করা, পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কারচুপি করায় নির্বাচন কমিশন সফল হয়েছে।

সিইসি ডিজিটাল ভোটিংয়ের কথা বলেছেন এমন দাবি করে তিনি বলেন, এখন বলছেন ইভিএম নয়, ডিজিটাল ভোট করবেন। অর্থাৎ আওয়ামী লীগকে চীরদিন ক্ষমতায় রাখতে যা যা করতে হবে তা করবে এই নির্বাচন কমিশন।

জিয়া পরিষদের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবির মুরাদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডা. আব্দুল কুদ্দুস প্রমুখ

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 42 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*