Home » জাতীয় » ‘শিল্পায়নের জন্য ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার’

‘শিল্পায়নের জন্য ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা, সুযোগ-সুবিধা ও ছাড় দিচ্ছে। দেশে গতিশীল শিল্পায়ন এবং টেকসই বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে মূলধনী বিনিয়োগের উপর নির্দিষ্টি পরিমাণ ভর্তুকি, উৎপাদিত পণ্যের উপর থেকে কর ও শুল্ক অব্যাহতি এবং চলতি মূলধনের সুদের উপর ভর্তুকি প্রদান করা হচ্ছে।

এক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বিনিয়োগ বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া উচ্চ অগ্রাধিকার, অগ্রাধিকার প্রাপ্ত খাত এবং রফতানি বাণিজ্যে তুলনামূলক অধিক অংশীদারিত্বের জন্য নগদ প্রণোদনা (ক্যাশ ইনসেটিভস) ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা হবে বলে জানান তিনি।

জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে আজ বুধবার টেবিলে উত্থাপিত প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মতিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, বৈদেশিক বিনিয়োগের উপর অনির্দিষ্টকালের জন্য কর অব্যাহতি, তথ্য প্রযুক্তি সেবা থেকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত কর মুক্ত সুবিধা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবসার আয়ের উপর ১৫ বছরের জন্য কর অব্যাহতি, ডেভেলপারদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করার সাথে সাথে ১০ বছর পর্যন্ত শতভাগ আয়কর অব্যাহতি, রাইস বার্ন ওয়েল উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ১০ বছর পর্যন্ত কর অব্যাহতি এবং গভীর সমুদ্রবন্দর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, গ্যাস পাইপ লাইন, হাইটেক পার্ক, তথ্য প্রযুক্তি খাত, মনোরেল, র‍্যাপিড ট্রানজিট, রিনিউয়্যাবল এনার্জিসহ অবকাঠামোখাতকে ১০ বছর পর্যন্ত কর অব্যাহতির সুযোগ প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া ওষুধ, ক্যামিকেল, বায়োটেকনোলজি, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, পেট্রো ক্যামিকেল, টেক্সাটাইল মেশিনারিজ, অটোমোবাইল, টায়ার, ফ্রুট প্রসেসিং, ইলেক্ট্রনিকসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানকে একইভাবে ১০ বছর পর্যন্ত কর অব্যাহতি সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। ২০১৯ সালের মধ্যে যারা এইসব ব্যবসা আরাম্ভ করতে পারবেন তারা এসব সুবিধা পাবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন উদ্যাক্তাদের ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তি সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৪ সালে ‘কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে নতুন উদ্যোক্তা পুনঃ অর্থায়ন তহবিল’ নামে একশ’ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে।

এ তহবিলের আওতায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণের বিপরীতে শতভাগ পুনঃ অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হয়। নতুন উদ্যোক্তারা সহায়ক জামানতবিহীন ১০ লাখ টাকা এবং জামানত প্রদান সাপেক্ষে ২৫ লাখ টাকা ঋণ সহায়তা পেতে পারে। কোনো অর্থায়ন গ্রহণকারী ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ।

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 43 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*