Home » লিড নিউজ » টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু ৭ এপ্রিল

টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু ৭ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক // স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী ৭ এপ্রিল থেকে করোনাভাইরাসের টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ মাসে ৫০ লাখ ডোজ পাওয়ার কথা রয়েছে সেরামের থেকে। তারা দিয়েছে ২০ লাখ। বাকি ডোজ পেতে সেরাম ইনস্টিটিউটকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।’

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়া হচ্ছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিক্ষক, পাইলট, বিমানবন্দরকর্মীদের টিকা দেয়া হচ্ছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ডাবল ডোজ পাওয়ার পরও বিদেশ যেতে হলে কোভিড নেগেটিভ সনদ নিয়ে যেতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৮ এর নিচে বয়স যাদের তারা টিকা পাবে না, যাদের বয়স বেশি তাদের ব্যাপারে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টিকা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৩ লক্ষাধিক মানুষ করোনা টিকা নিয়েছেন। দেশে সোমবার পর্যন্ত টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ২৩ লাখ ৮ হাজার ১৫৭ জন। এর মধ্যে ১৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৫ জন পুরুষ এবং ৭ হাজার ৮৯ হাজার ৪৪২ জন নারী রয়েছেন।

এ পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে টিকা নিয়েছেন, ৬ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮০ জন। এরমধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ৩ লাখ ৬ হাজার ১৮৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১ লাখ ৩ হাজার ৩৩৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ লাখ ২২ হাজার ৪৪৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯৩২ জন, রংপুর বিভাগে ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৮৫ জন, খুলনা বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৬৩৭ জন, বরিশাল বিভাগে ১ লাখ ১২ হাজার ১৬৮ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪৭৪ জন করোনা টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন।

গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এর পরদিন ২৮ জানুয়ারি রাজধানীর পাঁচটি সরকারি হাসপাতাল- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতাল, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল ও বিএসএমএমইউতে পরীক্ষামূলকভাবে ৫৪১ জনকে টিকা দেয়া হয়। পরবর্তীতে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 35 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*