Home » সর্বশেষ সংবাদ » তরুণীর মৃত্যু: আগাম জামিন পাচ্ছেন না বসুন্ধরার ব্যবস্থাপনা পরিচালক

তরুণীর মৃত্যু: আগাম জামিন পাচ্ছেন না বসুন্ধরার ব্যবস্থাপনা পরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক // দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য আগাম জামিন আবেদন শুনানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) উচ্চ আদালত থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর ফলে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়াকে ‘আত্মহত্যা’য় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়ায় মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের আগাম জামিন আবেদন শুনানি আর হচ্ছে না।

উচ্চ আদালত থেকে বলা হয়েছে, বর্তমান লকডাউন ও কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে হাই কোর্ট আগাম জামিনের আবেদনপত্র পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শুনানি গ্রহণ করবেন না বলে আদালত অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের আগাম জামিন আবেদন শুনানি হওয়ার কথা ছিল। আনভীরের পক্ষে আদালতে শুনানি করার কথা ছিল ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ বিচারপতি (অবসরপ্রাপ্ত) মনসুরুল হক চৌধুরী, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও সিনিয়র আইনজীবী এ এফ এম মেজবাহ উদ্দিনের।

উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যায় গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাটে থেকে কলেজছাত্রী মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া বাদী হয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সায়েম সোবহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মুনিয়ার। ১ লাখ টাকা ভাড়ার ওই ফ্ল্যাটে নিয়মিত যাতায়াত করতেন করতেন সায়েম সেবহান। তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো করে থাকতেন। মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া অভিযোগ করেন, তার বোনকে বিয়ের কথা বলে ওই ফ্ল্যাটে রেখেছিলেন আনভীর। একটি ছবি ফেসবুকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সায়েম সোবহান তার বোনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। মুনিয়াকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 41 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*