Home » অপরাধ » পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে স্বামীকে তালাক, অত:পর

পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে স্বামীকে তালাক, অত:পর

গৌরনদী প্রতিনিধি // ২০ বছরের সংসার ছেড়ে পলিয়ে পরকিয়া প্রেমিকের সংসারে ঠাঁই না পেয়ে আগের সংসারে ফিরে আসতে স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে ডালিয়া নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। এবং মারামারি ফেরাতে আসা দুইজনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগও রয়েছে এই নারীর বিরুদ্ধে। আহতরা হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় রয়েছেন।

জানা যায়, বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কটকস্থল গ্রামের সৌদি প্রবাসী হেমায়েত হাওলাদার ও পূর্ব কটকস্থলের গ্রামের ডালিয়ার পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে অধিকাংশ সময়ই প্রবাসে কাটান হেমায়েত। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুইটি পুত্র সন্তান রয়েছে। এরইমধ্যে কয়েক বছর আগে পাশর্^বর্তী বাউরগাতি গ্রামের ওমান প্রবাসী সুজনের সাথে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে হেমায়েতের স্ত্রী ডালিয়ার। এই প্রেমের সুত্র ধরে দুই ছেলে সন্তান রেখে গত দেড় বছর আগে স্বামীকে তালাক দিয়ে পরকিয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যায় ডালিয়া। ডালিয়াকে ফিরিয়ে আনার সকল চেষ্ঠায় ব্যর্থ হয়ে গত আট মাস পূর্বে ভালুকশী গ্রামের মাসুদার সাথে দ্বিতীয় বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন হেমায়েত।

এ দিকে হেমায়েতের সংসার ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া তার প্রথম স্ত্রী ডালিয়া পরকিয়া প্রেমিকের সংসারে ঠাঁই না পেয়ে আগের সংসারে ফিরে আসতে নানা অজুহাত খুজতে থাকেন।

হেমায়েতের ভাই সালাউদ্দিনের স্ত্রী রাবেয়া বেগম বলেন, ছেলের জন্য মোবাইল ফোন কিনে দেয়ার দাবী নিয়ে বাড়িতে আসেন ডালিয়া। এ বিষয় নিয়ে হেমায়েতের দ্বিতীয় স্ত্রী মাসুদা বেগম ও ডালিয়ার সাথে কথা কাটকাটির এক পর্যায়ে মাসুদাকে বেধরক ভাবে মারতে থাকে ডালিয়া।

তা দেখে আমি (হেমায়েতের ভাই সালাউদ্দিনের স্ত্রী) ও আমার ছেলে আঃ রহমান বাধা দিলে হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আমাদেরও পেটাতে থাকে ডালিয়া।

এতে করে আহত হয়ে রাবেয়া গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার এসআই শাহজাহান জানান, দুই পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে, তবে তদন্ত সাপেক্ষ্যে মামলা দয়ের করা হবে।

 

পাঠকের মতামত...

Print Friendly, PDF & Email
Total Page Visits: 35 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*