1. banglarkonthosor667@gmail.com : banglarkonthosor : News Users
  2. mehendiganjsangbad@gmail.com : Alamin Alamin : Alamin Alamin
  3. sarderamin830@gmail.com : Mohammed Amin : Mohammed Amin
  4. mamunahamed65@gmail.com : Mambun Ahmed : Mambun Ahmed
  5. banglarkonthosor24@gmail.com : বাংলার কন্ঠস্বর : বাংলার কন্ঠস্বর
  6. mdparvaj89@gmail.com : MD Parvaj : MD Parvaj
  7. rajibtaj050@gmail.com : Rajib Taj : Rajib Taj
  8. sumunto2019@gmail.com : Sumunto Halder : Sumunto Halder
বরিশালের পাত্র বাড়ির মাটি খুড়লে আজো মিলছে মানুষের হাড় - বাংলার কন্ঠস্বর ।। BanglarKonthosor
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
দেশর সকল জেলা-উপজেলা,থান-বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ সমূহে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...মেধাবীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বায়ন করা যাচ্ছে । যোগাযোগ: ০১৭৭২০২৯০৪৮।

বরিশালের পাত্র বাড়ির মাটি খুড়লে আজো মিলছে মানুষের হাড়

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৬ বার

শামীম আহমেদ // স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫০ বছর পর আজও বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার গ্রামের কেতনার বিলের পাত্র বাড়ির মাটি খুড়লে বেরিয়ে আসছে যুদ্ধের সময় পাকহানাদার বাহিনীর গুলিতে নিহতদের মানবদেহের হাড়।

অতিসম্প্রতি ওই গ্রামের ধলুরাম ঢালীর ছেলে ধীরেন্দ্র নাথ ঢালী (৭৫) পানের বরজ তৈরি করার জন্য মাটি খুড়তে গিয়ে মানুষের হাড়পায়।

ধীরেন্দ্র নাথ ঢালী জানান, তাদের ধারনা ৭১ সালে পাক সেনাদের গুলিতে যারা মারা গেছেন এসব তাদেরই হাড়। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদারদের গুলিতে নিহতদের হাড় পাওয়ার খবর পেয়ে অতিসম্প্রতি খুলনা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের কর্মকর্তারা পাত্র বাড়িতে ছুটে আসেন।

জাদুঘরের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফুল হক মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গণহত্যায় নিহতের হাড় জাদুঘরে সংরক্ষনে রাখার জন্য ধীরেন্দ্র নাথ ঢালীকে প্রস্তাব করেন।

পরবর্তীতে ওই হাড়টি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের কর্মকর্তার হাতে তুলে দেয়া হয়।
এসময় মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা বিষয়ের গবেষক প্রভাষক লুলু আর মারজান, কমরেড মনোজ কুমার গোমস্তা উপস্থিত ছিলেন।

ধীরেন্দ্র নাথ ঢালী ও দেবেন্দ্র নাথ পাত্রের স্ত্রী মায়া পাত্র বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় নিরাপদ আশ্রয় জেনে বিলাঞ্চলের আমাদের এই পাত্র বাড়িতে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলো।

এ খবর পেয়ে পাক সেনারা আমাদের বাড়ির সকল ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়ে ফেলে। আশ্রয় নেওয়া মানুষগুলো পাখিরমতো গুলিকরে হত্যা করে লাশ ডোবায় ফেলে দেয়।

পাক সেনারা চলে যাবার পর স্থানীয়রা এক একটি গর্তে ১৫ থেকে ২০ জনের লাশ রেখে মাটি চাঁপা দিয়ে রাখে। এভাবে বাড়ির চারিপাশে অসংখ্য গর্ত করে নিহতদের মাটি চাঁপা দিয়ে রাখা হয়।

অনেকের লাশ পচে গলে শেয়াল-কুকুরের খাবার হয়েছিলো। তারা আরও বলেন, এখনও মাটি খুড়লে সে সময়ের নিহতদের হাড় পাওয়া যায়। আগে অনেক হাড় পেয়ে তা পূর্ণরায় মাটি চাঁপা দিয়ে রেখেছি।

এ পোষ্টটি ভাল লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ