
গতকাল রবিবার ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী সাজা ফাতিমা বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার ইন্টারনেট ব্লক বা গতি ধীর করেনি।’ সরকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির সমাধান করার চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দেশটির ফ্রিল্যান্সাররা। একজন ফ্রিল্যান্সার নাম না প্রকাশের শর্তে জিও টিভিকে বলেন, ‘আমরা কঠিন সমস্যায় আছি। ফ্রিল্যান্সিং কমিউনিটির বহু মানুষ দীর্ঘ মেয়াদে ক্লায়েন্ট হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। হোয়াটসঅ্যাপে আমরা কোনো ফাইল পাঠাতে পারিনি, আবার আমাদের কাছে পাঠানো ফাইলও ডাউনলোড করতে পারিনি।’
অভিযোগ উঠেছে, ভিন্নমতাবলম্বীদের কন্ঠরোধ করতে ইন্টারনেটে বিধিনিষেধ আরোপ করছে পাকিস্তানের সরকার। এ উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট যাতে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে না পৌঁছায়, সেজন্য পরীক্ষামূলকভাবে ফায়ারওয়াল ইনস্টল করেছে। সে কারণেই বড় আকারে ইন্টারনেট সেবা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে পাকিস্তান সরকার এক্সও ব্লক করে দেয়।